মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে জুয়া খেলার সময় পাঁচজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। ১৭ মার্চ রাত অনুমান ১০টার দিকে উপজেলার মালখানগর ইউনিয়নের কাজীরবাগ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাজীরবাগ এলাকার সিরাজুল কাজীর টিনশেড ঘরের ভিতরে অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে ৫ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন নুর উদ্দিন (৫৪), জাহাঙ্গীর (৪০), মাসুম গাজী (৪০), আনোয়ার কাজী (৫২) এবং সিরাজুল কাজী (৬০)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ৫ঙ১ হাজার ৫ শত টাকা ও দুই বান্ডেল তাস জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
জুয়া একটি সামাজিক ব্যাধি, যা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিবার ও সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে অনেক যুবক সহজ পথে অর্থ উপার্জনের আশায় জুয়ায় জড়িয়ে পড়ছে, নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। সামাজিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, জুয়া আসক্তির কারণে বহু পরিবার আর্থিকভাবে ভেঙে পড়ছে, দাম্পত্য কলহ বাড়ছে এবং অপরাধ প্রবণতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী জুয়া খেলা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। পাবলিক গ্যাম্বলিং আইন, ১৮৬৭ অনুসারে, জুয়া খেলার জন্য কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড, কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার ওসি মোঃ আব্দুল হান্নান বলেন, “এলাকায় জুয়া, মাদকসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, 'জুয়া একটি ধ্বংসাত্মক নেশা, যা পরিবার ও সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম চলমান থাকবে।'

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে জুয়া খেলার সময় পাঁচজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। ১৭ মার্চ রাত অনুমান ১০টার দিকে উপজেলার মালখানগর ইউনিয়নের কাজীরবাগ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাজীরবাগ এলাকার সিরাজুল কাজীর টিনশেড ঘরের ভিতরে অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে ৫ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন নুর উদ্দিন (৫৪), জাহাঙ্গীর (৪০), মাসুম গাজী (৪০), আনোয়ার কাজী (৫২) এবং সিরাজুল কাজী (৬০)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ৫ঙ১ হাজার ৫ শত টাকা ও দুই বান্ডেল তাস জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
জুয়া একটি সামাজিক ব্যাধি, যা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিবার ও সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে অনেক যুবক সহজ পথে অর্থ উপার্জনের আশায় জুয়ায় জড়িয়ে পড়ছে, নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। সামাজিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, জুয়া আসক্তির কারণে বহু পরিবার আর্থিকভাবে ভেঙে পড়ছে, দাম্পত্য কলহ বাড়ছে এবং অপরাধ প্রবণতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী জুয়া খেলা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। পাবলিক গ্যাম্বলিং আইন, ১৮৬৭ অনুসারে, জুয়া খেলার জন্য কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড, কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার ওসি মোঃ আব্দুল হান্নান বলেন, “এলাকায় জুয়া, মাদকসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, 'জুয়া একটি ধ্বংসাত্মক নেশা, যা পরিবার ও সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম চলমান থাকবে।'

আপনার মতামত লিখুন