লালমনিরহাট জেলার সিভিল সার্জন অফিস ও রেলওয়ে বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে জেঁকে বসা দুর্নীতির প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। গণমাধ্যমে দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হওয়ার পরও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে লালমনিরহাট শহরের প্রাণকেন্দ্র মিশন মোড় গোল চত্বরে ‘দুর্নীতিমুক্ত লালমনিরহাট চাই’ বাস্তবায়ন কমিটির ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়। অরাজনৈতিক ও সেবামূলক এই প্ল্যাটফর্মটির ডাকে সংহতি জানিয়ে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা মানববন্ধনে অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সিভিল সার্জন অফিস এবং রেলওয়ে বিভাগে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ জনসমক্ষে আসার পরও রহস্যজনকভাবে প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতির কারণে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে প্রধান দুটি সমস্যার কথা তুলে ধরেন:
বিচারহীনতার সংস্কৃতি: সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাব প্রশাসনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
চরম জনভোগান্তি: বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও রেলওয়ে বিভাগে অনিয়মের কারণে সাধারণ মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার ও কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
‘দুর্নীতিমুক্ত লালমনিরহাট চাই’ বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট জাকিউল হাসান সিদ্দিক রাসেল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা অবিলম্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের চাকরি থেকে অপসারণ এবং আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে আগামীতে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মানববন্ধন সঞ্চালনা ও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী নিরঞ্জন রায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন:
সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী আলমগীর হোসেন। সিপিবি লালমনিরহাট জেলা শাখার গোপাল চন্দ্র রায়। ব্যবসায়ী নেতা রাশেদুল ইসলাম রাশেদসহ আরও অনেকে।
বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া এই মানববন্ধনে বক্তারা একবাক্যে ঘোষণা করেন, লালমনিরহাট জেলাকে সব ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি থেকে মুক্ত না করা পর্যন্ত তাদের এই অরাজনৈতিক ও সেবামূলক আন্দোলন চলবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
লালমনিরহাট জেলার সিভিল সার্জন অফিস ও রেলওয়ে বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে জেঁকে বসা দুর্নীতির প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। গণমাধ্যমে দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হওয়ার পরও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে লালমনিরহাট শহরের প্রাণকেন্দ্র মিশন মোড় গোল চত্বরে ‘দুর্নীতিমুক্ত লালমনিরহাট চাই’ বাস্তবায়ন কমিটির ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়। অরাজনৈতিক ও সেবামূলক এই প্ল্যাটফর্মটির ডাকে সংহতি জানিয়ে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা মানববন্ধনে অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সিভিল সার্জন অফিস এবং রেলওয়ে বিভাগে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ জনসমক্ষে আসার পরও রহস্যজনকভাবে প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতির কারণে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে প্রধান দুটি সমস্যার কথা তুলে ধরেন:
বিচারহীনতার সংস্কৃতি: সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাব প্রশাসনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
চরম জনভোগান্তি: বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও রেলওয়ে বিভাগে অনিয়মের কারণে সাধারণ মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার ও কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
‘দুর্নীতিমুক্ত লালমনিরহাট চাই’ বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট জাকিউল হাসান সিদ্দিক রাসেল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা অবিলম্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের চাকরি থেকে অপসারণ এবং আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে আগামীতে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মানববন্ধন সঞ্চালনা ও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী নিরঞ্জন রায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন:
সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী আলমগীর হোসেন। সিপিবি লালমনিরহাট জেলা শাখার গোপাল চন্দ্র রায়। ব্যবসায়ী নেতা রাশেদুল ইসলাম রাশেদসহ আরও অনেকে।
বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া এই মানববন্ধনে বক্তারা একবাক্যে ঘোষণা করেন, লালমনিরহাট জেলাকে সব ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি থেকে মুক্ত না করা পর্যন্ত তাদের এই অরাজনৈতিক ও সেবামূলক আন্দোলন চলবে।

আপনার মতামত লিখুন