খুলনায় দৈনিক নিউজ বাংলাদেশের বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান ও আলোকিত দৈনিকের খুলনা জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক এস এম শাহরিয়ারের পারিবারিক কবরস্থানে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রনি নামের এক দূর্বৃত্তের বিরুদ্ধে। কবরস্থানটি দখলের উদ্দেশ্যেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ওই কবরস্থানটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল রনি। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে কবরস্থানের ভেতরে আগুন দেওয়া হয়। এতে কবরস্থানের ভেতরে থাকা গাছপালা ও আশপাশের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জানা গেছে, ওই কবরস্থানে সাংবাদিক শাহরিয়ারের দাদী, চাচা, চাচাতো বোনসহ পরিবারের অন্তত ৭–৮ জন আত্মীয়ের মরদেহ সমাহিত রয়েছে।
সাংবাদিক এস এম শাহরিয়ার বলেন, তাদের পারিবারিক কবরস্থানটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু স্থানীয় রনি নামের এক ব্যক্তি জায়গাটি দখলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিল। সর্বশেষ কবরস্থানে আগুন দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
খুলনায় দৈনিক নিউজ বাংলাদেশের বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান ও আলোকিত দৈনিকের খুলনা জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক এস এম শাহরিয়ারের পারিবারিক কবরস্থানে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রনি নামের এক দূর্বৃত্তের বিরুদ্ধে। কবরস্থানটি দখলের উদ্দেশ্যেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ওই কবরস্থানটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল রনি। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে কবরস্থানের ভেতরে আগুন দেওয়া হয়। এতে কবরস্থানের ভেতরে থাকা গাছপালা ও আশপাশের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জানা গেছে, ওই কবরস্থানে সাংবাদিক শাহরিয়ারের দাদী, চাচা, চাচাতো বোনসহ পরিবারের অন্তত ৭–৮ জন আত্মীয়ের মরদেহ সমাহিত রয়েছে।
সাংবাদিক এস এম শাহরিয়ার বলেন, তাদের পারিবারিক কবরস্থানটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু স্থানীয় রনি নামের এক ব্যক্তি জায়গাটি দখলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিল। সর্বশেষ কবরস্থানে আগুন দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

আপনার মতামত লিখুন