হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব দোলযাত্রা বা হোলি উপলক্ষে আগামী ৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। তবে এদিন দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
হিলি ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, হোলি উৎসবকে কেন্দ্র করে ভারতের ব্যবসায়ী সংগঠন হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উৎসবের দিন ভারতীয় অংশে সরকারি ছুটি থাকায় সেদিন বন্দরে পণ্য ওঠানামা ও শুল্ক সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা সম্ভব হবে না। ফলে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে এদিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে।
বাংলাদেশ অংশের ব্যবসায়ী নেতারাও বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রতিবছরই হোলি উৎসবের দিন ভারতের পক্ষ থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও একদিনের জন্য বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ৫ মার্চ থেকে যথারীতি বন্দরের কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে।
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। বিশেষ করে পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ফলমূল, পাথরসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য এ বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করে। একদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। প্রতিদিনের মতো সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত যাত্রী পারাপার কার্যক্রম চালু থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, উৎসব শেষে পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে বন্দরের কার্যক্রম শুরু হলে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কোনো ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হবে না।
ল

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব দোলযাত্রা বা হোলি উপলক্ষে আগামী ৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। তবে এদিন দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
হিলি ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, হোলি উৎসবকে কেন্দ্র করে ভারতের ব্যবসায়ী সংগঠন হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উৎসবের দিন ভারতীয় অংশে সরকারি ছুটি থাকায় সেদিন বন্দরে পণ্য ওঠানামা ও শুল্ক সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা সম্ভব হবে না। ফলে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে এদিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে।
বাংলাদেশ অংশের ব্যবসায়ী নেতারাও বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রতিবছরই হোলি উৎসবের দিন ভারতের পক্ষ থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও একদিনের জন্য বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ৫ মার্চ থেকে যথারীতি বন্দরের কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে।
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। বিশেষ করে পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ফলমূল, পাথরসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য এ বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করে। একদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। প্রতিদিনের মতো সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত যাত্রী পারাপার কার্যক্রম চালু থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, উৎসব শেষে পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে বন্দরের কার্যক্রম শুরু হলে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কোনো ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হবে না।
ল

আপনার মতামত লিখুন