বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে জাতীয় পর্যায়ের নেতাদের দূরত্ব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অ্যাডভোকেট মোঃ আবু আল ইউসুফ খান টিপু। তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলনের সময় যেসব নেতাকর্মীরা দলের নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকতেন, বর্তমানে তাদের ফোন ধরতে অনীহা দেখাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের আশেপাশের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি–এর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ফেসবুক পোস্টে অ্যাডভোকেট টিপু উল্লেখ করেন, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় বিএনপির জাতীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং চেয়ারম্যানের আশেপাশের ব্যক্তিদের ফোনের কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীরা সবসময় প্রস্তুত ও সতর্ক অবস্থায় থাকতেন। কখন কোন নির্দেশনা আসে, সেই অপেক্ষায় তারা আতঙ্ক ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করেছেন।
কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাথে থাকা পিএস, এপিএস, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যরা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ফোন ধরতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। অনেক ক্ষেত্রে তারা বিরক্তি প্রকাশ করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “এভাবে চলতে থাকলে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অবহেলিত বোধ করবেন এবং এতে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
তার এই পোস্ট ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে জাতীয় পর্যায়ের নেতাদের দূরত্ব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অ্যাডভোকেট মোঃ আবু আল ইউসুফ খান টিপু। তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলনের সময় যেসব নেতাকর্মীরা দলের নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকতেন, বর্তমানে তাদের ফোন ধরতে অনীহা দেখাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের আশেপাশের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি–এর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ফেসবুক পোস্টে অ্যাডভোকেট টিপু উল্লেখ করেন, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় বিএনপির জাতীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং চেয়ারম্যানের আশেপাশের ব্যক্তিদের ফোনের কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীরা সবসময় প্রস্তুত ও সতর্ক অবস্থায় থাকতেন। কখন কোন নির্দেশনা আসে, সেই অপেক্ষায় তারা আতঙ্ক ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করেছেন।
কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাথে থাকা পিএস, এপিএস, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যরা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ফোন ধরতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। অনেক ক্ষেত্রে তারা বিরক্তি প্রকাশ করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “এভাবে চলতে থাকলে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অবহেলিত বোধ করবেন এবং এতে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
তার এই পোস্ট ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন