নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় বেপরোয়া ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় বিথী আক্তার (৬) নামের এক শিশু শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার মীরগঞ্জ ইউনিয়নের পাঠানপাড়া এলাকায় টেংগনমারী-মীরগঞ্জ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালকেওট কাজিপাড়া এলাকার বাবুল কাজীর কন্যা বিথী আক্তার প্রতিদিনের ন্যায় সকালে বাড়ি থেকে স্কুলের উদ্দেশ্যে বের হয়। সে রাস্তার বাম পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পিছন দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া ড্রাম ট্রাক তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনতা তাৎক্ষণিকভাবে ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে মীরগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) রাজু সরকার জানান, রাস্তা পারাপারের সময় একটি ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দুর্ঘটনার পর এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ওই সড়কে ভারী যানবাহন অতিরিক্ত গতিতে চলাচল করে। স্কুলগামী শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্পিড ব্রেকার, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান তারা।
স্থানীয়দের মতে, নিয়মিত তদারকি ও গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় বেপরোয়া ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় বিথী আক্তার (৬) নামের এক শিশু শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার মীরগঞ্জ ইউনিয়নের পাঠানপাড়া এলাকায় টেংগনমারী-মীরগঞ্জ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালকেওট কাজিপাড়া এলাকার বাবুল কাজীর কন্যা বিথী আক্তার প্রতিদিনের ন্যায় সকালে বাড়ি থেকে স্কুলের উদ্দেশ্যে বের হয়। সে রাস্তার বাম পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পিছন দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া ড্রাম ট্রাক তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনতা তাৎক্ষণিকভাবে ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে মীরগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) রাজু সরকার জানান, রাস্তা পারাপারের সময় একটি ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দুর্ঘটনার পর এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ওই সড়কে ভারী যানবাহন অতিরিক্ত গতিতে চলাচল করে। স্কুলগামী শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্পিড ব্রেকার, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান তারা।
স্থানীয়দের মতে, নিয়মিত তদারকি ও গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন