ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় চোরাই ইজিবাইক খুলে যন্ত্রাংশ বিক্রি ও পুনরায় ইজিবাইক তৈরি করার একটি অবৈধ কারখানায় অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। অভিযানে ৬টি ইজিবাইক উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মোটর, ব্যাটারি ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৬ জনকে আটক করা হয়।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে বোয়ালমারীর সাতৈর বাজার গোরস্থানের সামনে অবস্থিত ‘মা মোটরস এন্ড অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে একাধিক ইজিবাইক চুরির ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীরা কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত ওয়ার্কশপে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে দোকান থেকে ৬টি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি একাধিক ইজিবাইকের চ্যাসিস, মোটর, ব্যাটারি ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুরি হওয়া ইজিবাইকগুলো এখানে এনে খুলে যন্ত্রাংশ আলাদা করে বিক্রি করা হতো এবং একই সঙ্গে নতুন ইজিবাইক তৈরি করে বাজারজাত করা হতো।
প্রতিষ্ঠানটি মো. ইলিয়াস হোসেনের মালিকানাধীন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এই চক্রের সঙ্গে ইলিয়াস হোসেন, মো. রনি ও মোজাম্মেল নামের তিনজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি পুলিশ। অভিযান চলমান থাকায় তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন,
“অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। সকাল ৯টা পর্যন্ত ৬টি ইজিবাইক ও বিপুল পরিমাণ যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযান শেষে কোতোয়ালি থানায় প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।”
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন,
“কোতোয়ালি থানায় ইজিবাইক চুরির অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করছে। আমরা তাদের সর্বাত্মক সহায়তা করছি। অভিযান শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং আরও উদ্ধার ও গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় চোরাই ইজিবাইক খুলে যন্ত্রাংশ বিক্রি ও পুনরায় ইজিবাইক তৈরি করার একটি অবৈধ কারখানায় অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। অভিযানে ৬টি ইজিবাইক উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মোটর, ব্যাটারি ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৬ জনকে আটক করা হয়।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে বোয়ালমারীর সাতৈর বাজার গোরস্থানের সামনে অবস্থিত ‘মা মোটরস এন্ড অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে একাধিক ইজিবাইক চুরির ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীরা কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত ওয়ার্কশপে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে দোকান থেকে ৬টি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি একাধিক ইজিবাইকের চ্যাসিস, মোটর, ব্যাটারি ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুরি হওয়া ইজিবাইকগুলো এখানে এনে খুলে যন্ত্রাংশ আলাদা করে বিক্রি করা হতো এবং একই সঙ্গে নতুন ইজিবাইক তৈরি করে বাজারজাত করা হতো।
প্রতিষ্ঠানটি মো. ইলিয়াস হোসেনের মালিকানাধীন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এই চক্রের সঙ্গে ইলিয়াস হোসেন, মো. রনি ও মোজাম্মেল নামের তিনজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি পুলিশ। অভিযান চলমান থাকায় তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন,
“অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। সকাল ৯টা পর্যন্ত ৬টি ইজিবাইক ও বিপুল পরিমাণ যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযান শেষে কোতোয়ালি থানায় প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।”
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন,
“কোতোয়ালি থানায় ইজিবাইক চুরির অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করছে। আমরা তাদের সর্বাত্মক সহায়তা করছি। অভিযান শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং আরও উদ্ধার ও গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন