উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জনপদ সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বৈষম্য ও কার্যকর নেতৃত্বের অভাবে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি থেকে পিছিয়ে রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।তাদের মতে, শক্তিশালী ও কার্যকর সংসদীয় নির্বাচিত সরকারের প্রতিনিধিত্বের অভাবেই শিল্পায়ন,প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান এবং আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়নে প্রত্যাশিত গতি আসেনি।
জেলার রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত,উন্নয়নের মূলধারায় ফিরতে হলে প্রয়োজন দূরদর্শী ও কৌশলগত নেতৃত্ব।এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।তারা চান,দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নীলফামারী-৪ আসনের উন্নয়নের স্বার্থে সংরক্ষিত মহিলা আসনে কৃষিবিদ পারভীন আক্তারকে এমপি হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করুন।
দাবিদারদের ভাষ্য,পারভীন আক্তার দক্ষতা,দূরদর্শিতা ও সাংগঠনিক সক্ষমতায় ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।তার নেতৃত্বে নীলফামারী-৪ শিল্প,কৃষি, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থানে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে বলে তাদের বিশ্বাস।
বিশিষ্ট কৃষিবিদ পারভীন আক্তার বাংলাদেশের অন্যতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,ময়মনসিংহ থেকে এগ্রিকালচারাল ইকোনমিক্সে (অনার্স)এবং মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সাংগঠনিক ও নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করে আসছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০১৮ সালে নীলফামারী-৪ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্ত হওয়ায় তিনি এলাকায় সুপরিচিত মুখ। সংসদে তার সক্রিয় উপস্থিতি জেলার অধিকার আদায় ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তাদের প্রত্যাশা।
দাবিদাররা স্পষ্ট করে বলেছেন,এটি আবেগের বিষয় নয়—বাস্তবতার দাবি।নীলফামারী-৪-এর জনগণ উন্নয়ন,কার্যকর প্রতিনিধিত্ব এবং জাতীয় পর্যায়ে শক্ত অবস্থান চায়।তারা দলের উচ্চপর্যায়ের কাছে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে,সময়োপযোগী ও দূরদর্শী পদক্ষেপই পারে নীলফামারী-৪-কে অবহেলার গণ্ডি থেকে বের করে টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে।তাই কৃষিবিদ পারভীন আক্তারের কোন বিকল্প নেই বলে অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জনপদ সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বৈষম্য ও কার্যকর নেতৃত্বের অভাবে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি থেকে পিছিয়ে রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।তাদের মতে, শক্তিশালী ও কার্যকর সংসদীয় নির্বাচিত সরকারের প্রতিনিধিত্বের অভাবেই শিল্পায়ন,প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান এবং আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়নে প্রত্যাশিত গতি আসেনি।
জেলার রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত,উন্নয়নের মূলধারায় ফিরতে হলে প্রয়োজন দূরদর্শী ও কৌশলগত নেতৃত্ব।এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।তারা চান,দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নীলফামারী-৪ আসনের উন্নয়নের স্বার্থে সংরক্ষিত মহিলা আসনে কৃষিবিদ পারভীন আক্তারকে এমপি হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করুন।
দাবিদারদের ভাষ্য,পারভীন আক্তার দক্ষতা,দূরদর্শিতা ও সাংগঠনিক সক্ষমতায় ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।তার নেতৃত্বে নীলফামারী-৪ শিল্প,কৃষি, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থানে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে বলে তাদের বিশ্বাস।
বিশিষ্ট কৃষিবিদ পারভীন আক্তার বাংলাদেশের অন্যতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,ময়মনসিংহ থেকে এগ্রিকালচারাল ইকোনমিক্সে (অনার্স)এবং মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সাংগঠনিক ও নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করে আসছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০১৮ সালে নীলফামারী-৪ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্ত হওয়ায় তিনি এলাকায় সুপরিচিত মুখ। সংসদে তার সক্রিয় উপস্থিতি জেলার অধিকার আদায় ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তাদের প্রত্যাশা।
দাবিদাররা স্পষ্ট করে বলেছেন,এটি আবেগের বিষয় নয়—বাস্তবতার দাবি।নীলফামারী-৪-এর জনগণ উন্নয়ন,কার্যকর প্রতিনিধিত্ব এবং জাতীয় পর্যায়ে শক্ত অবস্থান চায়।তারা দলের উচ্চপর্যায়ের কাছে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে,সময়োপযোগী ও দূরদর্শী পদক্ষেপই পারে নীলফামারী-৪-কে অবহেলার গণ্ডি থেকে বের করে টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে।তাই কৃষিবিদ পারভীন আক্তারের কোন বিকল্প নেই বলে অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন