লালমনিরহাটে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত 'মুক্তিযোদ্ধা চত্বর' তোরণ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘ ১৮ বছরের পুরনো এই তোরণটি ভেঙে ফেলার ঘটনায় স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, তাদের পরিবার এবং এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকায় জুয়া ও মাদকের সাম্রাজ্য বিস্তার করতে বাধা হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে একদল চিহ্নিত দুর্বৃত্ত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৮ বছর পূর্বে অত্র এলাকার সকল দল-মত ও পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত মতামত এবং আর্থিক সহযোগিতায় এই তোরণটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তোরণটির ১০০ গজের মধ্যে ৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার আবাসন হওয়ায় সর্বসম্মতিক্রমে এর নামকরণ করা হয় "মুক্তিযোদ্ধা চত্বর"। দীর্ঘ সময় ধরে এটি এলাকার একটি ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে ছিল।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্তমানে ওই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাটি মাদক সেবন, ব্যবসা এবং জুয়ার কারণে নেতিবাচক পরিচিতি পেয়েছে। তোরণ ভাঙচুরকারীরাই এলাকায় এসব অপকর্মের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত। তোরণটি ভেঙে ফেলার মাধ্যমে তারা মূলত এলাকায় নিজেদের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভুলুণ্ঠিত করতে চাইছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর পক্ষে তৌহিদুল ইসলাম বসুনিয়া জানান:
"১৮ বছর আগে আমরা সবাই মিলে পরম মমতায় এই তোরণটি গড়েছিলাম। আজ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে কিছু সুবিধাবাদী দুর্বৃত্ত নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থে বিএনপিকে ব্যবহার করছে। এরা মাননীয় মন্ত্রী ও লালমনিরহাটের গণমানুষের নেতা আসাদুল হাবিব দুলু ভাইয়ের দীর্ঘদিনের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। আমরা এই ঘৃণ্য কাজের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রশাসনিক ও দলীয়—উভয় ক্ষেত্রেই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।"
সচেতন মহলের মতে, যারা মহান ভাষা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংস করতে পারে, তারা সমাজের শত্রু। এ ধরনের অসামাজিক ও উগ্রবাদী মানুষের মাধ্যমে 'আলোকিত লালমনিরহাট' গড়া সম্ভব নয়; বরং এরা উন্নয়নের পথে বড় প্রতিবন্ধক।
তোরণ ভাঙচুরের এই ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লালমনিরহাটে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত 'মুক্তিযোদ্ধা চত্বর' তোরণ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘ ১৮ বছরের পুরনো এই তোরণটি ভেঙে ফেলার ঘটনায় স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, তাদের পরিবার এবং এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকায় জুয়া ও মাদকের সাম্রাজ্য বিস্তার করতে বাধা হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে একদল চিহ্নিত দুর্বৃত্ত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৮ বছর পূর্বে অত্র এলাকার সকল দল-মত ও পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত মতামত এবং আর্থিক সহযোগিতায় এই তোরণটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তোরণটির ১০০ গজের মধ্যে ৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার আবাসন হওয়ায় সর্বসম্মতিক্রমে এর নামকরণ করা হয় "মুক্তিযোদ্ধা চত্বর"। দীর্ঘ সময় ধরে এটি এলাকার একটি ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে ছিল।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্তমানে ওই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাটি মাদক সেবন, ব্যবসা এবং জুয়ার কারণে নেতিবাচক পরিচিতি পেয়েছে। তোরণ ভাঙচুরকারীরাই এলাকায় এসব অপকর্মের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত। তোরণটি ভেঙে ফেলার মাধ্যমে তারা মূলত এলাকায় নিজেদের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভুলুণ্ঠিত করতে চাইছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর পক্ষে তৌহিদুল ইসলাম বসুনিয়া জানান:
"১৮ বছর আগে আমরা সবাই মিলে পরম মমতায় এই তোরণটি গড়েছিলাম। আজ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে কিছু সুবিধাবাদী দুর্বৃত্ত নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থে বিএনপিকে ব্যবহার করছে। এরা মাননীয় মন্ত্রী ও লালমনিরহাটের গণমানুষের নেতা আসাদুল হাবিব দুলু ভাইয়ের দীর্ঘদিনের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। আমরা এই ঘৃণ্য কাজের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রশাসনিক ও দলীয়—উভয় ক্ষেত্রেই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।"
সচেতন মহলের মতে, যারা মহান ভাষা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংস করতে পারে, তারা সমাজের শত্রু। এ ধরনের অসামাজিক ও উগ্রবাদী মানুষের মাধ্যমে 'আলোকিত লালমনিরহাট' গড়া সম্ভব নয়; বরং এরা উন্নয়নের পথে বড় প্রতিবন্ধক।
তোরণ ভাঙচুরের এই ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন