যশোরের শার্শা উপজেলাধীন বেনাপোল পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে এ বছর আমগাছে মুকুলের বাম্পার ফলন দেখা গেছে। পৌর এলাকার বাগান ও বসতবাড়ির আঙিনায় থাকা আমগাছগুলোতে চোখজুড়ানো মুকুলের সমারোহ কৃষক ও বাগান মালিকদের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয় চাষি রহিম জানান, অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো পরিচর্যা এবং রোগবালাই কম থাকায় এ বছর মুকুলের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। ইতোমধ্যে অনেক গাছে শতভাগ মুকুল এসেছে, যা ভালো ফলনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অতিবৃষ্টি না হলে ফলন আরও ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গাছে পোকার আক্রমণ ও ঝরে পড়া রোধে এখন থেকেই যথাযথ পরিচর্যার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
বেনাপোল পৌরসভার বাসিন্দাদের মতে, আমের ভালো ফলন হলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বাইরেও সরবরাহ করা সম্ভব হবে, এতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সব মিলিয়ে, বেনাপোল পৌর এলাকায় আমের মুকুলের বাম্পার ফলন এক আনন্দঘন ও সম্ভাবনাময় মৌসুমের বার্তা দিচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যশোরের শার্শা উপজেলাধীন বেনাপোল পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে এ বছর আমগাছে মুকুলের বাম্পার ফলন দেখা গেছে। পৌর এলাকার বাগান ও বসতবাড়ির আঙিনায় থাকা আমগাছগুলোতে চোখজুড়ানো মুকুলের সমারোহ কৃষক ও বাগান মালিকদের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয় চাষি রহিম জানান, অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো পরিচর্যা এবং রোগবালাই কম থাকায় এ বছর মুকুলের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। ইতোমধ্যে অনেক গাছে শতভাগ মুকুল এসেছে, যা ভালো ফলনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অতিবৃষ্টি না হলে ফলন আরও ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গাছে পোকার আক্রমণ ও ঝরে পড়া রোধে এখন থেকেই যথাযথ পরিচর্যার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
বেনাপোল পৌরসভার বাসিন্দাদের মতে, আমের ভালো ফলন হলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বাইরেও সরবরাহ করা সম্ভব হবে, এতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সব মিলিয়ে, বেনাপোল পৌর এলাকায় আমের মুকুলের বাম্পার ফলন এক আনন্দঘন ও সম্ভাবনাময় মৌসুমের বার্তা দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন