রাষ্ট্র সংস্কার ও সংবিধানের আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ বাস্তবায়নে লালমনিরহাটে ব্যাপক প্রচারণা শুরু করেছে ‘ওয়ারিয়র্স অফ জুলাই’। আগামী দিনে কেমন সংবিধান চায় সাধারণ মানুষ, তা জানতে সরাসরি জনমত সংগ্রহের পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে এই প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
কী আছে এই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এ? প্রচারিত লিফলেট ও কর্মসূচি থেকে জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই সনদে চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে সংবিধান পরিবর্তনের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে:
তত্ত্বাবধায়ক সরকার: নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন এবং নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ: ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষসহ দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের প্রস্তাব, যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে আসন পাবে।
ক্ষমতার ভারসাম্য: প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের সীমাবদ্ধতা, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ৩০টি সুনির্দিষ্ট সংস্কার।
সংসদে প্রতিনিধিত্ব: নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি এবং বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা।
প্রচারণা ও জনমত সংগ্রহ লালমনিরহাটের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে জেলা সদস্য সচিব মোঃ মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এই প্রচারণার উদ্বোধন করা হয়। সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব রাসেল মাহমুদ একটি প্রচার গাড়ির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জুলাই যোদ্ধা আতাউল ইসলাম, কাউসার হোসেন, নুর মোহাম্মদ শুভ, মমিনুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আয়োজকদের মতে, নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো এই ৩০টি মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নে আইনত বাধ্য থাকবে। তারা মনে করেন, এই সনদের বাস্তবায়নই হবে জুলাই বিপ্লবের প্রকৃত অর্জন এবং বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার মূল ভিত্তি।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাষ্ট্র সংস্কার ও সংবিধানের আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ বাস্তবায়নে লালমনিরহাটে ব্যাপক প্রচারণা শুরু করেছে ‘ওয়ারিয়র্স অফ জুলাই’। আগামী দিনে কেমন সংবিধান চায় সাধারণ মানুষ, তা জানতে সরাসরি জনমত সংগ্রহের পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে এই প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
কী আছে এই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এ? প্রচারিত লিফলেট ও কর্মসূচি থেকে জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই সনদে চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে সংবিধান পরিবর্তনের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে:
তত্ত্বাবধায়ক সরকার: নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন এবং নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ: ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষসহ দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের প্রস্তাব, যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে আসন পাবে।
ক্ষমতার ভারসাম্য: প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের সীমাবদ্ধতা, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ৩০টি সুনির্দিষ্ট সংস্কার।
সংসদে প্রতিনিধিত্ব: নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি এবং বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা।
প্রচারণা ও জনমত সংগ্রহ লালমনিরহাটের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে জেলা সদস্য সচিব মোঃ মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এই প্রচারণার উদ্বোধন করা হয়। সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব রাসেল মাহমুদ একটি প্রচার গাড়ির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জুলাই যোদ্ধা আতাউল ইসলাম, কাউসার হোসেন, নুর মোহাম্মদ শুভ, মমিনুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আয়োজকদের মতে, নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো এই ৩০টি মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নে আইনত বাধ্য থাকবে। তারা মনে করেন, এই সনদের বাস্তবায়নই হবে জুলাই বিপ্লবের প্রকৃত অর্জন এবং বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার মূল ভিত্তি।

আপনার মতামত লিখুন