কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় দিনের আলোয় এক দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় তরুণ উদ্যোক্তা ও কলেজছাত্র রুহুল আমিন সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন। সিসিটিভি ফুটেজে চোরের মুখ স্পষ্ট ধরা পড়লেও ঘটনার ২০ দিন পার হলেও পুলিশ এখনো চোরকে শনাক্ত বা গ্রেফতার করতে পারেনি।
ভুক্তভোগী রুহুল আমিন ভেড়ামারা সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। দারিদ্র্যকে জয় করার স্বপ্ন নিয়ে পরিবারের জমানো প্রায় ৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি ভেড়ামারা থানার মাত্র ১০০ গজ দূরে ‘মোবাইল মার্ট’ নামে একটি মোবাইল ফোনের দোকান চালু করেন।
গত ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৭টা ৫৪ মিনিটে দোকানটি থেকে বিভিন্ন মডেলের মোবাইল ফোন, চার্জার, ইয়ারফোনসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। দোকানে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে চোরের মুখ স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে।
রুহুল আমিন বলেন, “আমি একজন রাজমিস্ত্রির ছেলে। অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করছি। পরিবারের শেষ সঞ্চয় দিয়ে দোকানটি খুলেছিলাম। বারবার প্রশাসনের কাছে গিয়েছি, ফুটেজ দিয়েছি। কিন্তু এখনো কোনো অগ্রগতি নেই। পরিবার এখন ঋণের বোঝায়।
এই ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, থানার কাছেই দিনের আলোয় এমন চুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতারই প্রমাণ।
স্থানীয়রা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে চোরকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় দিনের আলোয় এক দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় তরুণ উদ্যোক্তা ও কলেজছাত্র রুহুল আমিন সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন। সিসিটিভি ফুটেজে চোরের মুখ স্পষ্ট ধরা পড়লেও ঘটনার ২০ দিন পার হলেও পুলিশ এখনো চোরকে শনাক্ত বা গ্রেফতার করতে পারেনি।
ভুক্তভোগী রুহুল আমিন ভেড়ামারা সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। দারিদ্র্যকে জয় করার স্বপ্ন নিয়ে পরিবারের জমানো প্রায় ৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি ভেড়ামারা থানার মাত্র ১০০ গজ দূরে ‘মোবাইল মার্ট’ নামে একটি মোবাইল ফোনের দোকান চালু করেন।
গত ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৭টা ৫৪ মিনিটে দোকানটি থেকে বিভিন্ন মডেলের মোবাইল ফোন, চার্জার, ইয়ারফোনসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। দোকানে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে চোরের মুখ স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে।
রুহুল আমিন বলেন, “আমি একজন রাজমিস্ত্রির ছেলে। অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করছি। পরিবারের শেষ সঞ্চয় দিয়ে দোকানটি খুলেছিলাম। বারবার প্রশাসনের কাছে গিয়েছি, ফুটেজ দিয়েছি। কিন্তু এখনো কোনো অগ্রগতি নেই। পরিবার এখন ঋণের বোঝায়।
এই ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, থানার কাছেই দিনের আলোয় এমন চুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতারই প্রমাণ।
স্থানীয়রা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে চোরকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন