কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ৩নং কালিকাপুর ইউনিয়নের লালারপোল রাস্তার মাথায় অবস্থিত ট্রাক হোটেল জোনাকী-২-এ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা। এ ঘটনায় হোটেলটির দারোয়ান রাজু আহম্মেদ (২০) কে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ট্রাক হোটেল জোনাকী-২ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কালিকাপুর ইউনিয়ন সহ সভাপতি আরিফুর রহমান-এর মালিকানাধীন।
মাদক উদ্ধারের ঘটনায় হোটেলটির মালিকানা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা ‘ক’ সার্কেলের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (১২ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় হোটেল তল্লাশি চালিয়ে দারোয়ান রাজু আহম্মেদের কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা ‘ক’ সার্কেলের উপ-পরিদর্শক তুন্তু মনি চাকমা বলেন,
“মাদক সমাজ ও যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদক নির্মূলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জোনাকী-২ হোটেলের দারোয়ান রাজু আহম্মেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার অভিযান পরিচালনা করা হলেও মূলত হোটেলের কর্মচারী বা দারোয়ানরাই গ্রেফতার হচ্ছে। হোটেলের মালিক ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা আরিফুর রহমান বারবার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
স্থানীয়রা আরও দাবি করেছেন, আরিফুর রহমানকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করা হলে পুরো এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—একই হোটেলে একাধিকবার অভিযান, ইয়াবা উদ্ধার ও গ্রেফতার হলেও মালিক কেন বারবার দায়মুক্ত থাকছেন?
এলাকাবাসীর ভাষায়,
ছোট কর্মচারী ধরা পড়বে, মামলা হবে কিন্তু প্রভাবশালীরা থেকে যাবে আড়ালে। এভাবে মাদক নির্মূল হবে না। আমরা চাই আইনের চোখে সবাই সমান হোক।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত দারোয়ান রাজু আহম্মেদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর হয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, কুমিল্লায় জমা রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ৩নং কালিকাপুর ইউনিয়নের লালারপোল রাস্তার মাথায় অবস্থিত ট্রাক হোটেল জোনাকী-২-এ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা। এ ঘটনায় হোটেলটির দারোয়ান রাজু আহম্মেদ (২০) কে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ট্রাক হোটেল জোনাকী-২ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কালিকাপুর ইউনিয়ন সহ সভাপতি আরিফুর রহমান-এর মালিকানাধীন।
মাদক উদ্ধারের ঘটনায় হোটেলটির মালিকানা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা ‘ক’ সার্কেলের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (১২ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় হোটেল তল্লাশি চালিয়ে দারোয়ান রাজু আহম্মেদের কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা ‘ক’ সার্কেলের উপ-পরিদর্শক তুন্তু মনি চাকমা বলেন,
“মাদক সমাজ ও যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদক নির্মূলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জোনাকী-২ হোটেলের দারোয়ান রাজু আহম্মেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার অভিযান পরিচালনা করা হলেও মূলত হোটেলের কর্মচারী বা দারোয়ানরাই গ্রেফতার হচ্ছে। হোটেলের মালিক ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা আরিফুর রহমান বারবার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
স্থানীয়রা আরও দাবি করেছেন, আরিফুর রহমানকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করা হলে পুরো এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—একই হোটেলে একাধিকবার অভিযান, ইয়াবা উদ্ধার ও গ্রেফতার হলেও মালিক কেন বারবার দায়মুক্ত থাকছেন?
এলাকাবাসীর ভাষায়,
ছোট কর্মচারী ধরা পড়বে, মামলা হবে কিন্তু প্রভাবশালীরা থেকে যাবে আড়ালে। এভাবে মাদক নির্মূল হবে না। আমরা চাই আইনের চোখে সবাই সমান হোক।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত দারোয়ান রাজু আহম্মেদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর হয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, কুমিল্লায় জমা রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন