দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং  বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ  কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

দোয়ারাবাজারে আহাদ মিয়া হত্যার ঘটনার এক মাস অতিবাহিত হলেও উদঘাটন হয়নি হত্যাকাণ্ডের রহস্য।

দোয়ারাবাজারে আহাদ মিয়া হত্যার ঘটনার এক মাস অতিবাহিত হলেও উদঘাটন হয়নি হত্যাকাণ্ডের রহস্য।

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সীমান্তের নরসিংপুর ইউনিয়নের রাগারপাড় গ্রামের মৃত আফতর আলীর ছেলে আহাদ মিয়া (৪৪) হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার এক মাস অতিবাহিত হলেও উদঘাটন হয়নি হত্যাকাণ্ডের রহস্য। আসামীরা অধরায় থাকায় নিহতের পরিবার উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছে। এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে হত্যা মামলার বাদীসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে একটি লুটপাট মামলা দায়ের করেছে আসামী পক্ষ।

জানা যায়, দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের রাগারপাড় গ্রামের মৃত আফতর আলীর ছেলে নিহত আহাদ মিয়া ও একই এলাকার বিরেন্দ্রনগর গ্রামের মৃত আবদুল গফুরের ছেলে আবদুল আজিজের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা ছিল। ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে আহাদকে তার সহপাঠিরা বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের কালাটেক বস্তির একটি স্কুলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ভারতীয় পুলিশ। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে ১৭ ডিসেম্বর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আহাদের মরদেহ বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়। পরদিন ১৮ ডিসেম্বর পুনরায় ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ দাফন সম্পন্ন হয়। পুলিশের ভাষ্যমতে, সুরতহাল প্রতিবেদনে আহাদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। একই ধরনের তথ্য উঠে এসেছে ভারতীয় পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনেও। এ ঘটনায় গত ২১ ডিসেম্বর নিহত আহাদের বড় ভাই আবদুল কাইয়ুম দোয়ারাবাজার থানায় ১৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় নজরুল ইসলাম নামের এক আসামিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হলেও অন্যান্য আসামিরা আজও রয়েছে অধরায়। অভিযুক্তরা সীমান্তে চোরাচালান সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত থাকায় ঘটনার পরপরই তারা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে, হত্যা মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ওই মামলার বাদীসহ ৮জনের বিরুদ্ধে গত ৩০ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জ আদালতে একটি গরু-মহিষ লুটপাটের মামলা দায়ের করেন, সীমান্তের দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের মমশর আলীর ছেলে মাহমুদ আলী। তিনি হত্যা মামলার অভিযুক্ত চার আসামির ভাই বলে অভিযোগ উঠেছে। আদালতের নির্দেশে গত ১৩ জানুয়ারি দায়েরি লুটপাট মামলা তদন্ত করছে সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তবে অভিযুক্ত পক্ষের করা এ মামলাটি হত্যা মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত ও হয়রানিমূলক বলে অভিযোগ করেছে নিহত আহাদের পরিবার।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় বর্ডার ব্যবসাকে কেন্দ্র করে আহাদ হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে আহাদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত কয়েকজনের বিরুদ্ধে এর আগেও চোরাচালান সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। থানার পিসিপির সুত্র মতে আহাদ হত্যা মামলার আসামী আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে ৫টি, নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৬টি, ৯টি করে রয়েছে কুদ্দুছ আলী ও ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে। আবদুল মিয়ার বিরুদ্ধে ৩টি, আরমান আলীর বিরুদ্ধে ৫টি চোরাচালন সহ বিভিন্ন ধারায় অর্ধশত মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তারা একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছেন। আহাদের পরিবারের অভিযোগ, ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, লুটপাটের ঘটনাস্থল হিসেবে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে শ্রীপুর গ্রামের আবুল হোসেনের বাড়ির সামনের পাকা রাস্তা। তবে আবুল হোসেনের ভাই আলম হোসেন জানান, তিনি এমন কোন ঘটনা প্রত্যক্ষ করেননি। পাশের বাড়ির বাসিন্দা সমর আলী, বাশের ব্রিজের টোল আদায়কারী সামারগাঁও গ্রামের খোয়াজ আলীসহ আশপাশের একাধিক ব্যক্তি বলেন, তারা কেউ গরু-মহিষ লুটের কোন দৃশ্য দেখেননি। এলাকার অনেকের ভা

ষ্য, আহাদ হত্যাকাণ্ডের পর গরু-মহিষ তারা নিজেরাই অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন। লুটপাট মামলার সাক্ষী নরসিংপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য নুরুল আমিন বলেন, ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি, আমি নিজে দেখিনি। ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য ইউনুছ আলী বলেন, ফোনে বিষয়টি জানতে পারি। ঘটনাস্থলে গিয়ে কিছুই পাইনি। ২নং ওয়ার্ডের সদস্য ইসরাইল আলী বলেন, শুনেছি কেউ এদিকে বলছে, কেউ ওদিকে-নিজ চোখে কিছুই দেখিনি।

সাবেক ইউপি সদস্য ফজলুর রহমানও জানান, তিনি গরু-মহিষ লুটের কোন ঘটনা দেখেন নাই এবং শুনেন নাই।

দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, আহাদ হত্যা মামলার আসামিরা আত্মগোপনে রয়েছে। ডিজিটাল-এনালকসহ সব ধরনের তদন্ত অব্যাহত আছে। দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


দোয়ারাবাজারে আহাদ মিয়া হত্যার ঘটনার এক মাস অতিবাহিত হলেও উদঘাটন হয়নি হত্যাকাণ্ডের রহস্য।

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সীমান্তের নরসিংপুর ইউনিয়নের রাগারপাড় গ্রামের মৃত আফতর আলীর ছেলে আহাদ মিয়া (৪৪) হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার এক মাস অতিবাহিত হলেও উদঘাটন হয়নি হত্যাকাণ্ডের রহস্য। আসামীরা অধরায় থাকায় নিহতের পরিবার উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছে। এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে হত্যা মামলার বাদীসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে একটি লুটপাট মামলা দায়ের করেছে আসামী পক্ষ।


জানা যায়, দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের রাগারপাড় গ্রামের মৃত আফতর আলীর ছেলে নিহত আহাদ মিয়া ও একই এলাকার বিরেন্দ্রনগর গ্রামের মৃত আবদুল গফুরের ছেলে আবদুল আজিজের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা ছিল। ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে আহাদকে তার সহপাঠিরা বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের কালাটেক বস্তির একটি স্কুলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ভারতীয় পুলিশ। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে ১৭ ডিসেম্বর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আহাদের মরদেহ বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়। পরদিন ১৮ ডিসেম্বর পুনরায় ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ দাফন সম্পন্ন হয়। পুলিশের ভাষ্যমতে, সুরতহাল প্রতিবেদনে আহাদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। একই ধরনের তথ্য উঠে এসেছে ভারতীয় পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনেও। এ ঘটনায় গত ২১ ডিসেম্বর নিহত আহাদের বড় ভাই আবদুল কাইয়ুম দোয়ারাবাজার থানায় ১৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় নজরুল ইসলাম নামের এক আসামিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হলেও অন্যান্য আসামিরা আজও রয়েছে অধরায়। অভিযুক্তরা সীমান্তে চোরাচালান সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত থাকায় ঘটনার পরপরই তারা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে, হত্যা মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ওই মামলার বাদীসহ ৮জনের বিরুদ্ধে গত ৩০ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জ আদালতে একটি গরু-মহিষ লুটপাটের মামলা দায়ের করেন, সীমান্তের দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের মমশর আলীর ছেলে মাহমুদ আলী। তিনি হত্যা মামলার অভিযুক্ত চার আসামির ভাই বলে অভিযোগ উঠেছে। আদালতের নির্দেশে গত ১৩ জানুয়ারি দায়েরি লুটপাট মামলা তদন্ত করছে সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তবে অভিযুক্ত পক্ষের করা এ মামলাটি হত্যা মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত ও হয়রানিমূলক বলে অভিযোগ করেছে নিহত আহাদের পরিবার।


স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় বর্ডার ব্যবসাকে কেন্দ্র করে আহাদ হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে আহাদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত কয়েকজনের বিরুদ্ধে এর আগেও চোরাচালান সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। থানার পিসিপির সুত্র মতে আহাদ হত্যা মামলার আসামী আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে ৫টি, নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৬টি, ৯টি করে রয়েছে কুদ্দুছ আলী ও ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে। আবদুল মিয়ার বিরুদ্ধে ৩টি, আরমান আলীর বিরুদ্ধে ৫টি চোরাচালন সহ বিভিন্ন ধারায় অর্ধশত মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তারা একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছেন। আহাদের পরিবারের অভিযোগ, ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।


সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, লুটপাটের ঘটনাস্থল হিসেবে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে শ্রীপুর গ্রামের আবুল হোসেনের বাড়ির সামনের পাকা রাস্তা। তবে আবুল হোসেনের ভাই আলম হোসেন জানান, তিনি এমন কোন ঘটনা প্রত্যক্ষ করেননি। পাশের বাড়ির বাসিন্দা সমর আলী, বাশের ব্রিজের টোল আদায়কারী সামারগাঁও গ্রামের খোয়াজ আলীসহ আশপাশের একাধিক ব্যক্তি বলেন, তারা কেউ গরু-মহিষ লুটের কোন দৃশ্য দেখেননি। এলাকার অনেকের ভা



ষ্য, আহাদ হত্যাকাণ্ডের পর গরু-মহিষ তারা নিজেরাই অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন। লুটপাট মামলার সাক্ষী নরসিংপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য নুরুল আমিন বলেন, ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি, আমি নিজে দেখিনি। ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য ইউনুছ আলী বলেন, ফোনে বিষয়টি জানতে পারি। ঘটনাস্থলে গিয়ে কিছুই পাইনি। ২নং ওয়ার্ডের সদস্য ইসরাইল আলী বলেন, শুনেছি কেউ এদিকে বলছে, কেউ ওদিকে-নিজ চোখে কিছুই দেখিনি।

সাবেক ইউপি সদস্য ফজলুর রহমানও জানান, তিনি গরু-মহিষ লুটের কোন ঘটনা দেখেন নাই এবং শুনেন নাই।


দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, আহাদ হত্যা মামলার আসামিরা আত্মগোপনে রয়েছে। ডিজিটাল-এনালকসহ সব ধরনের তদন্ত অব্যাহত আছে। দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনা হবে।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ