কাঁচা খেজুরের রসে মারাত্মক নিপাহ ভাইরাসের জীবাণু থাকতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। তাই কাঁচা খেজুরের রস পান না করার জন্য জনগণকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
বিএফএসএর তথ্যমতে, শীত মৌসুমে খেজুরের রস সংগ্রহের সময় বাদুড়ের মাধ্যমে রসে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। বাদুড় খেজুরের গাছে বসে রস পান করার সময় তাদের লালা, মূত্র বা মল রসে মিশে যেতে পারে। এভাবেই ভাইরাসটি মানুষের শরীরে প্রবেশ করে মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
বিএফএসএ আরও জানায়, খেজুরের রস খেতে হলে অবশ্যই তা ভালোভাবে গরম বা জ্বাল দিয়ে নিতে হবে। জ্বাল দিলে ভাইরাস নষ্ট হয়ে যায় এবং সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসে। কাঁচা বা অপরিশোধিত খেজুরের রস পান করা থেকে বিরত থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে জ্বর, মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্টসহ স্নায়বিক জটিলতা দেখা দিতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যু ঘটে। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট টিকা বা কার্যকর ওষুধ নেই, তাই সচেতনতাই একমাত্র প্রতিরোধ।
এদিকে, শীত মৌসুমে খেজুরের রসের চাহিদা বাড়ায় জনসাধারণের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিএফএসএ। নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাঁচা খেজুরের রস পরিহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
কাঁচা খেজুরের রসে মারাত্মক নিপাহ ভাইরাসের জীবাণু থাকতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। তাই কাঁচা খেজুরের রস পান না করার জন্য জনগণকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
বিএফএসএর তথ্যমতে, শীত মৌসুমে খেজুরের রস সংগ্রহের সময় বাদুড়ের মাধ্যমে রসে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। বাদুড় খেজুরের গাছে বসে রস পান করার সময় তাদের লালা, মূত্র বা মল রসে মিশে যেতে পারে। এভাবেই ভাইরাসটি মানুষের শরীরে প্রবেশ করে মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
বিএফএসএ আরও জানায়, খেজুরের রস খেতে হলে অবশ্যই তা ভালোভাবে গরম বা জ্বাল দিয়ে নিতে হবে। জ্বাল দিলে ভাইরাস নষ্ট হয়ে যায় এবং সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসে। কাঁচা বা অপরিশোধিত খেজুরের রস পান করা থেকে বিরত থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে জ্বর, মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্টসহ স্নায়বিক জটিলতা দেখা দিতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যু ঘটে। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট টিকা বা কার্যকর ওষুধ নেই, তাই সচেতনতাই একমাত্র প্রতিরোধ।
এদিকে, শীত মৌসুমে খেজুরের রসের চাহিদা বাড়ায় জনসাধারণের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিএফএসএ। নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাঁচা খেজুরের রস পরিহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন