দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং  বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ  কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

‘আহতদের খোঁজ নেই’—হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশপত্র

‘আহতদের খোঁজ নেই’—হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশপত্র

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সাহেদ আলীসহ ১০ জনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় ‘আহতদের হদিস না পাওয়া’ এবং ‘তথ্যগত ভুল’ থাকার কথা উল্লেখ করে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গত ৫ নভেম্বর মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়। মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবুল বাশার।মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মোহাম্মদ এ আরাফাত, জুনাইদ আহমেদ পলক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ, শামীম ওসমান, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ মোট ১১৩ জন।পটপরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ৪ আগস্ট সীমান্ত স্কয়ার থেকে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে ধানমন্ডি ২৭-এর মীনা বাজারের সামনে আহত হন সাহেদ আলী। ওই ঘটনায় ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ মোট নয়জন আহত হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় সাহেদের কথিত ভাই শরীফ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার তদন্তকালে থানা পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পিবিআইকে। তদন্তভার পাওয়ার পর পিবিআই পরিদর্শক শাহজাহান ভূঞাঁ আহতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করলেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।পিবিআই কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে আহতদের নিয়ে সরকারি গেজেট প্রকাশ হয়েছে। এ মামলায় যাদের আহত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, গেজেটে তাদের নাম পাওয়া যায়নি। তথ্যগত ভুলের কারণে আপাতত আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আহতদের তথ্য পাওয়া গেলে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।’

তদন্তে জানা যায়, বাদী শরীফ এজাহারে দাবি করেন, তার ভাই ছাড়াও ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। তবে আহতদের পূর্ণাঙ্গ নাম, ঠিকানা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য না থাকায় কলেজগুলোতে খোঁজ করেও তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আশপাশের হাসপাতালগুলোতেও খোঁজ নেওয়া হয়। কিন্তু মামলায় উল্লেখিত কোনো আহত ব্যক্তি সেখানে চিকিৎসা নেননি বা ভর্তি হননি বলে তথ্য পাওয়া যায়।

মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এজাহারে উল্লেখিত আহত সাহেদ আলী, রাশেদ, জুয়েল, মাহমুদ, নাহিদ, রাসেল, মিরাজ, জান্নাতুল ফেরদৌস নাঈমা, আইশ আক্তার ও সাম্মি আক্তারের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য—কোনো হাসপাতাল, ক্লিনিক বা অন্য কোথাও চিকিৎসা নিয়েছেন কি না—সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। আহতদের তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তদন্ত কর্মকর্তা সীমান্ত স্কয়ার মার্কেট, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ এবং ঘটনাস্থলের আশপাশের হাসপাতালগুলোতে চিঠি পাঠিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন। বাদীকে নোটিশ দিয়ে তার ভাই সাহেদ আলীকে থানায় হাজির করার অনুরোধ জানানো হলেও তাতে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, মামলার তথ্য সংগ্রহের জন্য বাদীর হাজারীবাগের ভাড়া বাসায় নোটিশ পাঠানো হয়। তবে বাড়িওয়ালা জানান, শরীফ নামের কেউ সেখানে থাকেন না। জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে দেখা যায়, বাদীর নাম শরিফুল ইসলাম, তিনি লক্ষ্মীপুর সদরের মান্দারী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। সেখানেও খোঁজ নেওয়া হলে তাকে কেউ চিনতে পারেননি। বাদীর মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকত এবং হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর কখনো খোলা, কখনো বন্ধ থাকত। পরে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ হলে কয়েকদিন পর তিনি ধানমন্ডি লেকের পাশে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেন। তখন আহতদের হাজির করতে ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র দিতে বলা হলেও দীর্ঘ সময়েও তা সরবরাহ করা হয়নি।

তবে মামলার বাদী শরীফ বলেন, ‘আমি তদন্ত সংস্থার সঙ্গে দেখা করেছি। মামলাটা করার পর থেকেই থ্রেট পাচ্ছি। আসামিরা হুমকি দিয়েছে। বিচার চাওয়া কি অপরাধ?’

উল্লেখ্য, এ মামলায় থানা পুলিশ যে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছিল, তারা হলেন—শাকিল হোসেন ইমরান, কামরুল হাসান ওরফে কামু, মারুফ হোসেন এবং মাসুদ রানা বেপারী। কামরুল হাসান ওরফে কামুর আইনজীবী পীযূষ কান্তি বলেন, ‘আমার মক্কেল হয়রানির শিকার হয়েছেন। বিষয়টি আমরা আদালতকে জানিয়েছি। আদালতও পরিস্থিতির শিকার।’

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


‘আহতদের খোঁজ নেই’—হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশপত্র

প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সাহেদ আলীসহ ১০ জনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় ‘আহতদের হদিস না পাওয়া’ এবং ‘তথ্যগত ভুল’ থাকার কথা উল্লেখ করে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গত ৫ নভেম্বর মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়। মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবুল বাশার।মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মোহাম্মদ এ আরাফাত, জুনাইদ আহমেদ পলক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ, শামীম ওসমান, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ মোট ১১৩ জন।পটপরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ৪ আগস্ট সীমান্ত স্কয়ার থেকে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে ধানমন্ডি ২৭-এর মীনা বাজারের সামনে আহত হন সাহেদ আলী। ওই ঘটনায় ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ মোট নয়জন আহত হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।


এ ঘটনায় সাহেদের কথিত ভাই শরীফ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার তদন্তকালে থানা পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পিবিআইকে। তদন্তভার পাওয়ার পর পিবিআই পরিদর্শক শাহজাহান ভূঞাঁ আহতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করলেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।পিবিআই কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে আহতদের নিয়ে সরকারি গেজেট প্রকাশ হয়েছে। এ মামলায় যাদের আহত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, গেজেটে তাদের নাম পাওয়া যায়নি। তথ্যগত ভুলের কারণে আপাতত আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আহতদের তথ্য পাওয়া গেলে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।’


তদন্তে জানা যায়, বাদী শরীফ এজাহারে দাবি করেন, তার ভাই ছাড়াও ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। তবে আহতদের পূর্ণাঙ্গ নাম, ঠিকানা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য না থাকায় কলেজগুলোতে খোঁজ করেও তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আশপাশের হাসপাতালগুলোতেও খোঁজ নেওয়া হয়। কিন্তু মামলায় উল্লেখিত কোনো আহত ব্যক্তি সেখানে চিকিৎসা নেননি বা ভর্তি হননি বলে তথ্য পাওয়া যায়।


মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এজাহারে উল্লেখিত আহত সাহেদ আলী, রাশেদ, জুয়েল, মাহমুদ, নাহিদ, রাসেল, মিরাজ, জান্নাতুল ফেরদৌস নাঈমা, আইশ আক্তার ও সাম্মি আক্তারের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য—কোনো হাসপাতাল, ক্লিনিক বা অন্য কোথাও চিকিৎসা নিয়েছেন কি না—সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। আহতদের তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তদন্ত কর্মকর্তা সীমান্ত স্কয়ার মার্কেট, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ এবং ঘটনাস্থলের আশপাশের হাসপাতালগুলোতে চিঠি পাঠিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন। বাদীকে নোটিশ দিয়ে তার ভাই সাহেদ আলীকে থানায় হাজির করার অনুরোধ জানানো হলেও তাতে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।


তদন্ত কর্মকর্তা জানান, মামলার তথ্য সংগ্রহের জন্য বাদীর হাজারীবাগের ভাড়া বাসায় নোটিশ পাঠানো হয়। তবে বাড়িওয়ালা জানান, শরীফ নামের কেউ সেখানে থাকেন না। জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে দেখা যায়, বাদীর নাম শরিফুল ইসলাম, তিনি লক্ষ্মীপুর সদরের মান্দারী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। সেখানেও খোঁজ নেওয়া হলে তাকে কেউ চিনতে পারেননি। বাদীর মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকত এবং হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর কখনো খোলা, কখনো বন্ধ থাকত। পরে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ হলে কয়েকদিন পর তিনি ধানমন্ডি লেকের পাশে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেন। তখন আহতদের হাজির করতে ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র দিতে বলা হলেও দীর্ঘ সময়েও তা সরবরাহ করা হয়নি।


তবে মামলার বাদী শরীফ বলেন, ‘আমি তদন্ত সংস্থার সঙ্গে দেখা করেছি। মামলাটা করার পর থেকেই থ্রেট পাচ্ছি। আসামিরা হুমকি দিয়েছে। বিচার চাওয়া কি অপরাধ?’


উল্লেখ্য, এ মামলায় থানা পুলিশ যে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছিল, তারা হলেন—শাকিল হোসেন ইমরান, কামরুল হাসান ওরফে কামু, মারুফ হোসেন এবং মাসুদ রানা বেপারী। কামরুল হাসান ওরফে কামুর আইনজীবী পীযূষ কান্তি বলেন, ‘আমার মক্কেল হয়রানির শিকার হয়েছেন। বিষয়টি আমরা আদালতকে জানিয়েছি। আদালতও পরিস্থিতির শিকার।’


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ