দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং  বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ  কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

১৮-তে মিলনের ধৈর্য, রাজপথে শুয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে প্রশংসিত হন, ২৫ এ মিজানের বিদ্রোহ।

১৮-তে মিলনের ধৈর্য, রাজপথে শুয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে প্রশংসিত হন, ২৫ এ মিজানের বিদ্রোহ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে বিএনপির ভেতরে প্রকাশ্য বিভাজন দেখা দিয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলনের বিপরীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান।

গত ২৯ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ডিপ্লোমেসি চাকমার কার্যালয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর থেকেই তাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৮ সালের নির্বাচনের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির রয়েছে স্পষ্ট বৈপরীত্য। সে সময় বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী। তখন মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েও কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন নেতা-কর্মীদের সামাল দিয়ে প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান, এমনকি রাজপথে শুয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে প্রশংসিত হন তিনি।

কিন্তু ২০২৫ সালে এসে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উল্টো। এবার দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে মিজানুর রহমান চৌধুরী বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামায় দলীয় আদর্শ ও শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতা। মিজান চৌধুরী সমর্থিত কিছু নেতাকর্মীরা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও অনেকেই রয়েছেন নিরব ভূমিকায়।

দলীয় নেতারা বলছেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া বিএনপিতে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার সুযোগ নেই। দল এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ২০১৮ সালে কলিম উদ্দিন মিলনের দেওয়া বক্তব্যগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন করে প্রচার করে তুলনা টানা হচ্ছে-দলের প্রতি আনুগত্য ও শৃঙ্খলার প্রশ্নে  কে কোথায় দাঁড়িয়ে, তা বোঝানো হচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দলীয় মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকে মিজানুর রহমান চৌধুরী এখন পর্যন্ত ধানের শীষ বা বিএনপির পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি। অথচ মনোনয়ন ঘোষণার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তিনি নেতাকর্মীদের জোরালোভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সেই বক্তব্যের ভিডিওগুলো বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং উপজেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

মিজানুর রহমান চৌধুরীর সমর্থকদের দাবি, ছাতকের উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর সাংবাদিকদের সঙ্গেও তিনি একই ইঙ্গিত দেন। তার সমর্থকরা বিপুল ভোটে বিজয়ের ব্যাপারেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

অন্যদিকে ধানের শীষের পক্ষে বিএনপি নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ভিন্ন। তাদের দাবি, ব্যক্তিস্বার্থে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। দলের একাধিক নেতা জানান, ২০১৮ সালে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলনের অক্লান্ত পরিশ্রমই তাকে দল ও জনগণের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে,তার বিরুদ্ধে সরযন্ত্র করে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ধানের শীষের বিজয় টেকানো যাবে না। এদিকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকে ইতিমধ্যে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে,যে কোনো সময় মিজানুর রহমান চৌধুরীকেও বহিষ্কার করা হতে পারে।

তবে বহিষ্কার হলেও তিনি ধানের শীষের বিপক্ষে অবস্থান বদলাবেন না-এমন ধারণাও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত হচ্ছে।

মিজান সমর্থিত দলীয় পদধারী অনেক নেতার অবস্থান এখনো স্পষ্ট না হলেও কেউ কেউ প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে কেউ কেউ বলছেন মিজান চৌধুরী এবার ধানের শীষকে পরাজিত করে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।  ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিলন-মিজানকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা তুঙ্গে। সচেতন মহলের ধারণা, প্রকাশ্যে নিরব থাকলেও শেষ পর্যন্ত অনেকেই ধানের শীষেই ভোট দিতে পারেন। দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে মিজান চৌধুরী এসব কার্যক্রমের নিন্দা জানিয়েছেন,পৌর বিএনপির আহবায়ক সামছুর রহমান সামছু ও যুগ্ম আহবায়ক জসিম উদ্দিন সুমেন সহ একাধিক নেতৃবৃন্দ।

তবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ পর্যন্ত মিজানুর রহমান চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে থাকলে এই আসনে ভোটের সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন বলেন, আমি আশাবাদী, সব মান-অভিমান ভুলে যারা বিএনপি ও দেশকে ভালোবাসে,তারা ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে, আমরা সর্বক্ষেত্রে বিজয় অর্জন করতে চাই,ইনশাআল্লাহ ছাতক দোয়ারার জনগণ তা নিশ্চিত করবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


১৮-তে মিলনের ধৈর্য, রাজপথে শুয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে প্রশংসিত হন, ২৫ এ মিজানের বিদ্রোহ।

প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image



আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে বিএনপির ভেতরে প্রকাশ্য বিভাজন দেখা দিয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলনের বিপরীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান।

গত ২৯ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ডিপ্লোমেসি চাকমার কার্যালয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর থেকেই তাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৮ সালের নির্বাচনের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির রয়েছে স্পষ্ট বৈপরীত্য। সে সময় বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী। তখন মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েও কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন নেতা-কর্মীদের সামাল দিয়ে প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান, এমনকি রাজপথে শুয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে প্রশংসিত হন তিনি।

কিন্তু ২০২৫ সালে এসে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উল্টো। এবার দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে মিজানুর রহমান চৌধুরী বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামায় দলীয় আদর্শ ও শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতা। মিজান চৌধুরী সমর্থিত কিছু নেতাকর্মীরা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও অনেকেই রয়েছেন নিরব ভূমিকায়।

দলীয় নেতারা বলছেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া বিএনপিতে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার সুযোগ নেই। দল এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ২০১৮ সালে কলিম উদ্দিন মিলনের দেওয়া বক্তব্যগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন করে প্রচার করে তুলনা টানা হচ্ছে-দলের প্রতি আনুগত্য ও শৃঙ্খলার প্রশ্নে  কে কোথায় দাঁড়িয়ে, তা বোঝানো হচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দলীয় মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকে মিজানুর রহমান চৌধুরী এখন পর্যন্ত ধানের শীষ বা বিএনপির পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি। অথচ মনোনয়ন ঘোষণার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তিনি নেতাকর্মীদের জোরালোভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সেই বক্তব্যের ভিডিওগুলো বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং উপজেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

মিজানুর রহমান চৌধুরীর সমর্থকদের দাবি, ছাতকের উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর সাংবাদিকদের সঙ্গেও তিনি একই ইঙ্গিত দেন। তার সমর্থকরা বিপুল ভোটে বিজয়ের ব্যাপারেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

অন্যদিকে ধানের শীষের পক্ষে বিএনপি নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ভিন্ন। তাদের দাবি, ব্যক্তিস্বার্থে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। দলের একাধিক নেতা জানান, ২০১৮ সালে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলনের অক্লান্ত পরিশ্রমই তাকে দল ও জনগণের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে,তার বিরুদ্ধে সরযন্ত্র করে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ধানের শীষের বিজয় টেকানো যাবে না। এদিকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকে ইতিমধ্যে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে,যে কোনো সময় মিজানুর রহমান চৌধুরীকেও বহিষ্কার করা হতে পারে।


তবে বহিষ্কার হলেও তিনি ধানের শীষের বিপক্ষে অবস্থান বদলাবেন না-এমন ধারণাও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত হচ্ছে।

মিজান সমর্থিত দলীয় পদধারী অনেক নেতার অবস্থান এখনো স্পষ্ট না হলেও কেউ কেউ প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে কেউ কেউ বলছেন মিজান চৌধুরী এবার ধানের শীষকে পরাজিত করে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।  ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিলন-মিজানকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা তুঙ্গে। সচেতন মহলের ধারণা, প্রকাশ্যে নিরব থাকলেও শেষ পর্যন্ত অনেকেই ধানের শীষেই ভোট দিতে পারেন। দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে মিজান চৌধুরী এসব কার্যক্রমের নিন্দা জানিয়েছেন,পৌর বিএনপির আহবায়ক সামছুর রহমান সামছু ও যুগ্ম আহবায়ক জসিম উদ্দিন সুমেন সহ একাধিক নেতৃবৃন্দ।

তবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ পর্যন্ত মিজানুর রহমান চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে থাকলে এই আসনে ভোটের সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন বলেন, আমি আশাবাদী, সব মান-অভিমান ভুলে যারা বিএনপি ও দেশকে ভালোবাসে,তারা ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে, আমরা সর্বক্ষেত্রে বিজয় অর্জন করতে চাই,ইনশাআল্লাহ ছাতক দোয়ারার জনগণ তা নিশ্চিত করবে।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ