রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছাতকের প্রবাসী যুবক আব্দুল মাহিম (২৮) ইন্তেকাল করেছেন।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
জানা যায়, গত ২৩ ডিসেম্বর রাতে নিজ বাসভবনে ফেরার পথে মোটরসাইকেলযোগে যাত্রাকালে বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহিম গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। টানা কয়েকদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর রবিবার তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাহিম ১৩ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্য থেকে সৌদি আরবে গিয়ে পবিত্র উমরাহ পালন করেন। উমরাহ শেষে গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরে গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। অল্প সময়ের এই দেশে থাকা অবস্থাতেই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তার প্রাণ ঝরে যায়।
মাহিম ছাতক উপজেলার জাউয়া বাজার ইউনিয়নের সাউদের গাঁও গ্রামের হাজী আরশদ আলীর ছেলে।
তিনি ছিলেন অত্যন্ত মিশুক, ভদ্র ও প্রাণবন্ত একজন মানুষ। প্রবাসে অবস্থান করলেও দেশের মানুষের সঙ্গে তার ছিল গভীর সম্পর্ক ও যোগাযোগ। দেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থেকেই তিনি প্রতি বছর দেশে আসতেন বলে জানান স্বজনরা।
তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়েছে তার মৃত্যুর সংবাদ, যেখানে শোক প্রকাশ করছেন অসংখ্য মানুষ।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
একজন সম্ভাবনাময় তরুণের এমন করুণ মৃত্যুতে পুরো এলাকাজুড়ে চলছে শোক।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছাতকের প্রবাসী যুবক আব্দুল মাহিম (২৮) ইন্তেকাল করেছেন।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
জানা যায়, গত ২৩ ডিসেম্বর রাতে নিজ বাসভবনে ফেরার পথে মোটরসাইকেলযোগে যাত্রাকালে বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহিম গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। টানা কয়েকদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর রবিবার তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাহিম ১৩ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্য থেকে সৌদি আরবে গিয়ে পবিত্র উমরাহ পালন করেন। উমরাহ শেষে গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরে গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। অল্প সময়ের এই দেশে থাকা অবস্থাতেই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তার প্রাণ ঝরে যায়।
মাহিম ছাতক উপজেলার জাউয়া বাজার ইউনিয়নের সাউদের গাঁও গ্রামের হাজী আরশদ আলীর ছেলে।
তিনি ছিলেন অত্যন্ত মিশুক, ভদ্র ও প্রাণবন্ত একজন মানুষ। প্রবাসে অবস্থান করলেও দেশের মানুষের সঙ্গে তার ছিল গভীর সম্পর্ক ও যোগাযোগ। দেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থেকেই তিনি প্রতি বছর দেশে আসতেন বলে জানান স্বজনরা।
তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়েছে তার মৃত্যুর সংবাদ, যেখানে শোক প্রকাশ করছেন অসংখ্য মানুষ।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
একজন সম্ভাবনাময় তরুণের এমন করুণ মৃত্যুতে পুরো এলাকাজুড়ে চলছে শোক।

আপনার মতামত লিখুন