খুলনায় সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলায় দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হওয়া আক্তার আলী মোল্লা (৩০) ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে মারা গেছেন।
নিহতের শাশুড়ি নূর জাহান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আক্তারের বোনের জামাই আসাদুল মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মৃত্যুর খবর দেন। নিহতের স্ত্রী লতা বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। আক্তার আলী মোল্লা একমাত্র কন্যা সন্তানের জনক। তার কন্যা জুই এই বছর এসএসসি পরীক্ষার্থী।
বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার হাফিজুর রহমান কে বৃহস্পতিবার রাতে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি জানান, ‘আক্তারের মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক খবর তার কাছে এখনও পৌঁছায়নি। বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। হামলার ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।‘
এর আগে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বটিয়াঘাটা থানাধীন দারোগারভিটা এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় আক্তারের দুই হাতের কবজি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি খুলনা মহানগরীর গল্লামারি এলাকার বাসিন্দা এবং চাঁদ আলী মোল্লার ছেলে। জীবিকার তাগিদে আক্তার শহরের বড় বাজার এলাকার একটি হোটেলে কর্মরত ছিলেন।
আক্তারের ভাষ্যমতে, গল্লামারি সেতু এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে করে পরিচিত দুই ব্যক্তি তাকে দারোগারভিটার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই আরও কয়েকজন অবস্থান করছিল। পরবর্তীতে তারা সংঘবদ্ধভাবে আক্রমণ চালিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
আক্তার অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা পূর্বপরিচিত সন্ত্রাসী এবং দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, মাদকসংক্রান্ত তথ্য জানাতে যাওয়ার কারণে হামলা চালানো হয়েছে। একটি গোয়েন্দা সূত্র জানায়, খুলনার তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী “গ্রেনেড বাবু” এর অনুসারীরা হামলায় জড়িত থাকতে পারে।
ঘটনাটি এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। নিহতের পরিবার দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
খুলনায় সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলায় দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হওয়া আক্তার আলী মোল্লা (৩০) ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে মারা গেছেন।
নিহতের শাশুড়ি নূর জাহান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আক্তারের বোনের জামাই আসাদুল মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মৃত্যুর খবর দেন। নিহতের স্ত্রী লতা বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। আক্তার আলী মোল্লা একমাত্র কন্যা সন্তানের জনক। তার কন্যা জুই এই বছর এসএসসি পরীক্ষার্থী।
বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার হাফিজুর রহমান কে বৃহস্পতিবার রাতে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি জানান, ‘আক্তারের মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক খবর তার কাছে এখনও পৌঁছায়নি। বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। হামলার ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।‘
এর আগে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বটিয়াঘাটা থানাধীন দারোগারভিটা এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় আক্তারের দুই হাতের কবজি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি খুলনা মহানগরীর গল্লামারি এলাকার বাসিন্দা এবং চাঁদ আলী মোল্লার ছেলে। জীবিকার তাগিদে আক্তার শহরের বড় বাজার এলাকার একটি হোটেলে কর্মরত ছিলেন।
আক্তারের ভাষ্যমতে, গল্লামারি সেতু এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে করে পরিচিত দুই ব্যক্তি তাকে দারোগারভিটার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই আরও কয়েকজন অবস্থান করছিল। পরবর্তীতে তারা সংঘবদ্ধভাবে আক্রমণ চালিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
আক্তার অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা পূর্বপরিচিত সন্ত্রাসী এবং দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, মাদকসংক্রান্ত তথ্য জানাতে যাওয়ার কারণে হামলা চালানো হয়েছে। একটি গোয়েন্দা সূত্র জানায়, খুলনার তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী “গ্রেনেড বাবু” এর অনুসারীরা হামলায় জড়িত থাকতে পারে।
ঘটনাটি এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। নিহতের পরিবার দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন