উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা দিনাজপুরে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। ডিসেম্বরের শেষভাগে এসে কনকনে ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসের দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দিনাজপুর সদরসহ পুরো জেলার স্বাভাবিক জনজীবন। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) ভোর থেকেই জেলা শহর ও আশপাশের এলাকা ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে যাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড।
তীব্র শীতের কারণে দিনাজপুর শহরের প্রধান সড়ক, স্টেশন রোড ও বাহাদুর বাজারসহ জনাকীর্ণ এলাকাগুলোতে মানুষের উপস্থিতি আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। যারা বের হচ্ছেন, তাদের পরনে দেখা যাচ্ছে ভারী শীতবস্ত্র। বিশেষ করে দিনাজপুর সদর উপজেলার খোলা এলাকা ও মাঠপ্রান্তরের জনপদগুলোতে শীতের কামড় সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে।
মাঠে কর্মরত কৃষক ও শহরের দিনমজুরদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। সদর উপজেলার পুলহাট এলাকার বাসিন্দা আকরাম আলী বলেন, কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাসে বাইরে বের হওয়া খুব কষ্টের হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই শীতে কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। একই উপজেলার শেখপুরা গ্রামের কৃষক মাহাবুর আলম জানান, কুয়াশা ও হিমেল বাতাসের কারণে মাঠের কাজে মারাত্মক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের।
ভোরের তীব্র ঠান্ডার কারণে রিকশাচালক ও খেটে খাওয়া মানুষ সময়মতো কাজে বের হতে পারছেন না। দিনাজপুর শহরের মোড়ে মোড়ে কাজের অপেক্ষায় থাকা শ্রমিকদের উপস্থিতি অন্য দিনের তুলনায় অনেক কম। এতে তাদের দৈনিক আয় কমে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, সোমবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. তোফাজ্জল হোসেন জানান: আগামী কয়েকদিন দিনের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। ২৩ ডিসেম্বরের পর থেকে রাতের তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডিসেম্বরের শেষদিকে জেলার কিছু এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বুধবার থেকে কুয়াশার ঘনত্ব কিছুটা কমলেও কনকনে ঠান্ডার মাত্রা বাড়তে পারে।
তিনি আরোও বলেন, শীতের এই আকস্মিক তীব্রতায় জেলার হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সেবামূলক সংগঠনকে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা দিনাজপুরে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। ডিসেম্বরের শেষভাগে এসে কনকনে ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসের দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দিনাজপুর সদরসহ পুরো জেলার স্বাভাবিক জনজীবন। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) ভোর থেকেই জেলা শহর ও আশপাশের এলাকা ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে যাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড।
তীব্র শীতের কারণে দিনাজপুর শহরের প্রধান সড়ক, স্টেশন রোড ও বাহাদুর বাজারসহ জনাকীর্ণ এলাকাগুলোতে মানুষের উপস্থিতি আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। যারা বের হচ্ছেন, তাদের পরনে দেখা যাচ্ছে ভারী শীতবস্ত্র। বিশেষ করে দিনাজপুর সদর উপজেলার খোলা এলাকা ও মাঠপ্রান্তরের জনপদগুলোতে শীতের কামড় সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে।
মাঠে কর্মরত কৃষক ও শহরের দিনমজুরদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। সদর উপজেলার পুলহাট এলাকার বাসিন্দা আকরাম আলী বলেন, কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাসে বাইরে বের হওয়া খুব কষ্টের হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই শীতে কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। একই উপজেলার শেখপুরা গ্রামের কৃষক মাহাবুর আলম জানান, কুয়াশা ও হিমেল বাতাসের কারণে মাঠের কাজে মারাত্মক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের।
ভোরের তীব্র ঠান্ডার কারণে রিকশাচালক ও খেটে খাওয়া মানুষ সময়মতো কাজে বের হতে পারছেন না। দিনাজপুর শহরের মোড়ে মোড়ে কাজের অপেক্ষায় থাকা শ্রমিকদের উপস্থিতি অন্য দিনের তুলনায় অনেক কম। এতে তাদের দৈনিক আয় কমে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, সোমবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. তোফাজ্জল হোসেন জানান: আগামী কয়েকদিন দিনের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। ২৩ ডিসেম্বরের পর থেকে রাতের তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডিসেম্বরের শেষদিকে জেলার কিছু এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বুধবার থেকে কুয়াশার ঘনত্ব কিছুটা কমলেও কনকনে ঠান্ডার মাত্রা বাড়তে পারে।
তিনি আরোও বলেন, শীতের এই আকস্মিক তীব্রতায় জেলার হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সেবামূলক সংগঠনকে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন