দিনাজপুর জেলা পুলিশের‘ডেভিল হান্ট অপারেশন-২’ এ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলতাফুজ্জামান মিতাকে (৬৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ভোর রাত ১টা ৪৫ মিনিটে বিরামপুর থানা এলাকা থেকে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তাকে গ্রেপ্তার করে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মিতা বিরামপুর এলাকায় অবস্থান করছেন। দীর্ঘ দিন আত্মগোপনে থাকার পর এই বিশেষ অভিযানে তিনি আইনশৃঙ্ক্ষলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আলতাফুজ্জামান মিতার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর মধ্যে অন্যতম
বিগত সরকারের আমলে তদবির বাণিজ্য ও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ নিজ নেতা-কর্মীদের পাইয়ে দেওয়া।
বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে নিয়োগের ক্ষেত্রে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন বা বাণিজ্যে জড়িত থাকা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান এবং আন্দোলন চলাকালে হামলার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা।
সাম্প্রতিক সময়ে পলাতক সহযোগীদের সাথে যোগসাজশে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল ও দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিতা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। তার বিরুদ্ধে দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন থানায় এবং ডিএমপিতে একাধিক মামলা বিচারাধীন। তাকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করার প্রস্তুতি চলছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
দিনাজপুর জেলা পুলিশের‘ডেভিল হান্ট অপারেশন-২’ এ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলতাফুজ্জামান মিতাকে (৬৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ভোর রাত ১টা ৪৫ মিনিটে বিরামপুর থানা এলাকা থেকে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তাকে গ্রেপ্তার করে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মিতা বিরামপুর এলাকায় অবস্থান করছেন। দীর্ঘ দিন আত্মগোপনে থাকার পর এই বিশেষ অভিযানে তিনি আইনশৃঙ্ক্ষলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আলতাফুজ্জামান মিতার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর মধ্যে অন্যতম
বিগত সরকারের আমলে তদবির বাণিজ্য ও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ নিজ নেতা-কর্মীদের পাইয়ে দেওয়া।
বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে নিয়োগের ক্ষেত্রে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন বা বাণিজ্যে জড়িত থাকা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান এবং আন্দোলন চলাকালে হামলার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা।
সাম্প্রতিক সময়ে পলাতক সহযোগীদের সাথে যোগসাজশে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল ও দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিতা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। তার বিরুদ্ধে দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন থানায় এবং ডিএমপিতে একাধিক মামলা বিচারাধীন। তাকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করার প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন