তোফাজ্জেলের কারখানায় উৎপাদন হয় মোটরসাইকেলের ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ।
নিজের কারখানায় উৎপাদিত মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ দেখাচ্ছেন তোফাজ্জেল হোসেন। সম্প্রতি যশোর শহরের বারান্দি পাড়ায়।
নিজের কারখানায় উৎপাদিত মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ দেখাচ্ছেন তোফাজ্জেল হোসেন। সম্প্রতি যশোর শহরের বারান্দি পাড়ায়।ছবি: প্রথম আলো
যশোরের বাসিন্দা তোফাজ্জেল হোসেন (মানিক)। দারিদ্র্যের কারণে পড়াশোনায় প্রাথমিকের গণ্ডি পার হতে পারেননি। তবে নিজের পরিশ্রমে ভাগ্য বদলেছেন। সাত হাজার টাকায় শুরু করা উদ্যোগ থেকে তিনি এখন কোটি কোটি টাকার মালিক।
প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, ‘দারিদ্র্যের কষ্ট আমি বুঝি। আমার বাবা ছিলেন ছোট মুদিদোকানি। অভাবের সংসারে ছয় ভাইবোনের লেখাপড়ার খরচ বাবা চালাতে পারেননি। এ জন্য আমার চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়ার সুযোগ হয়েছে। এরপর নেমে পড়তে হয়েছে কাজে।’
তোফাজ্জেলের মা তাঁকে ওষুধ কেনার জন্য ৬০ টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকা দিয়ে তিনি ওষুধ না কিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গাড়ির পুরোনো লোহা ও যন্ত্রপাতি কিনেছিলেন। সেগুলো ঘষেমেজে বিক্রি করে কিছু টাকা লাভ হয়।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫
তোফাজ্জেলের কারখানায় উৎপাদন হয় মোটরসাইকেলের ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ।
নিজের কারখানায় উৎপাদিত মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ দেখাচ্ছেন তোফাজ্জেল হোসেন। সম্প্রতি যশোর শহরের বারান্দি পাড়ায়।
নিজের কারখানায় উৎপাদিত মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ দেখাচ্ছেন তোফাজ্জেল হোসেন। সম্প্রতি যশোর শহরের বারান্দি পাড়ায়।ছবি: প্রথম আলো
যশোরের বাসিন্দা তোফাজ্জেল হোসেন (মানিক)। দারিদ্র্যের কারণে পড়াশোনায় প্রাথমিকের গণ্ডি পার হতে পারেননি। তবে নিজের পরিশ্রমে ভাগ্য বদলেছেন। সাত হাজার টাকায় শুরু করা উদ্যোগ থেকে তিনি এখন কোটি কোটি টাকার মালিক।
প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, ‘দারিদ্র্যের কষ্ট আমি বুঝি। আমার বাবা ছিলেন ছোট মুদিদোকানি। অভাবের সংসারে ছয় ভাইবোনের লেখাপড়ার খরচ বাবা চালাতে পারেননি। এ জন্য আমার চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়ার সুযোগ হয়েছে। এরপর নেমে পড়তে হয়েছে কাজে।’
তোফাজ্জেলের মা তাঁকে ওষুধ কেনার জন্য ৬০ টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকা দিয়ে তিনি ওষুধ না কিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গাড়ির পুরোনো লোহা ও যন্ত্রপাতি কিনেছিলেন। সেগুলো ঘষেমেজে বিক্রি করে কিছু টাকা লাভ হয়।

আপনার মতামত লিখুন