কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের আড়কান্দি মৌজার আর.এস ১৪৪৫ নং দাগের জমি সংক্রান্ত জাল দলিল ও অবৈধ নামজারি অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জমির মালিক মিজানুর রহমান। গতকাল দুপুরে নিজ বসতবাড়ির উঠানে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের সামনে অভিযোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
মিজানুর রহমান জানান, তাদের পরিবার দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে বৈধভাবে উক্ত জমির শান্তিপূর্ণ ভোগদখলে রয়েছে। কিন্তু একটি পক্ষ আইনবহির্ভূতভাবে মিথ্যা ও জালিয়াতিপূর্ণ দলিল দেখিয়ে তাদের জমি দখলের ষড়যন্ত্র করছে। এসব বিভ্রান্তিকর দাবি বিভিন্ন জায়গায় উপস্থাপন করায় সাধারণ মানুষের মাঝে ভুল ধারণা তৈরি হওয়ায় তিনি সংবাদ সম্মেলনের উদ্যোগ নেন।
তিনি বলেন, আড়কান্দি মৌজার আর.এস ৪৪৬ নং খতিয়ান ও আর.এস ১৪৪৫ নং দাগে মোট ০.৩৯ একর সম্পত্তির বৈধ মালিকানা রয়েছে নাজমুল হক, নজিবুল হক (পিতা মৃত ফজলুল হক) এবং মিজানুর রহমানের নামে। এই রেকর্ড আর.এস জরিপে চূড়ান্তভাবে বহাল রয়েছে। রেকর্ড অনুযায়ী মিজানুর রহমান ০.০৯৭৫ একর জমির বৈধ রেকর্ডীয় প্রজা।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মিজানুর রহমানের চাচা ফজলুল হকের নামে একই দাগে ০.৯০ একর জমির রেকর্ড ছিল, যা তিনি ০৯/০১/১৯৭৭ তারিখে খরিদসূত্রে মোট ১.১৯ একর জমি মিজানুর রহমানের নামে বিক্রি ও দখল হস্তান্তর করেন। ফলে জমিটির বৈধ মালিকানা ১৯৭৭ সাল থেকেই মিজানুর রহমানের কাছে হস্তান্তরিত হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিপক্ষ সোনা আলীর পক্ষের লোকজন ১৬/০২/১৯৭৮ তারিখে একটি পরবর্তী দলিল দেখিয়ে ভেড়ামারা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে নামজারি করায়। যা মিজানুর রহমানের দাবি অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ, কারণ পূর্বের বৈধ দলিল বহাল থাকা অবস্থায় একই জমি পরবর্তীতে বিক্রি বা নামজারি করা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। রেজিস্ট্রেশন আইনে পূর্বের বৈধ দলিলের ওপর পরবর্তী দলিলের কোনো কার্যকারিতা থাকে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মিজানুর রহমান প্রশাসন, গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণকে বিষয়টি সঠিকভাবে বোঝার আহ্বান জানান এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ নভেম্বর ২০২৫
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের আড়কান্দি মৌজার আর.এস ১৪৪৫ নং দাগের জমি সংক্রান্ত জাল দলিল ও অবৈধ নামজারি অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জমির মালিক মিজানুর রহমান। গতকাল দুপুরে নিজ বসতবাড়ির উঠানে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের সামনে অভিযোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
মিজানুর রহমান জানান, তাদের পরিবার দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে বৈধভাবে উক্ত জমির শান্তিপূর্ণ ভোগদখলে রয়েছে। কিন্তু একটি পক্ষ আইনবহির্ভূতভাবে মিথ্যা ও জালিয়াতিপূর্ণ দলিল দেখিয়ে তাদের জমি দখলের ষড়যন্ত্র করছে। এসব বিভ্রান্তিকর দাবি বিভিন্ন জায়গায় উপস্থাপন করায় সাধারণ মানুষের মাঝে ভুল ধারণা তৈরি হওয়ায় তিনি সংবাদ সম্মেলনের উদ্যোগ নেন।
তিনি বলেন, আড়কান্দি মৌজার আর.এস ৪৪৬ নং খতিয়ান ও আর.এস ১৪৪৫ নং দাগে মোট ০.৩৯ একর সম্পত্তির বৈধ মালিকানা রয়েছে নাজমুল হক, নজিবুল হক (পিতা মৃত ফজলুল হক) এবং মিজানুর রহমানের নামে। এই রেকর্ড আর.এস জরিপে চূড়ান্তভাবে বহাল রয়েছে। রেকর্ড অনুযায়ী মিজানুর রহমান ০.০৯৭৫ একর জমির বৈধ রেকর্ডীয় প্রজা।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মিজানুর রহমানের চাচা ফজলুল হকের নামে একই দাগে ০.৯০ একর জমির রেকর্ড ছিল, যা তিনি ০৯/০১/১৯৭৭ তারিখে খরিদসূত্রে মোট ১.১৯ একর জমি মিজানুর রহমানের নামে বিক্রি ও দখল হস্তান্তর করেন। ফলে জমিটির বৈধ মালিকানা ১৯৭৭ সাল থেকেই মিজানুর রহমানের কাছে হস্তান্তরিত হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিপক্ষ সোনা আলীর পক্ষের লোকজন ১৬/০২/১৯৭৮ তারিখে একটি পরবর্তী দলিল দেখিয়ে ভেড়ামারা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে নামজারি করায়। যা মিজানুর রহমানের দাবি অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ, কারণ পূর্বের বৈধ দলিল বহাল থাকা অবস্থায় একই জমি পরবর্তীতে বিক্রি বা নামজারি করা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। রেজিস্ট্রেশন আইনে পূর্বের বৈধ দলিলের ওপর পরবর্তী দলিলের কোনো কার্যকারিতা থাকে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মিজানুর রহমান প্রশাসন, গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণকে বিষয়টি সঠিকভাবে বোঝার আহ্বান জানান এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন