দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান সরকারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ, তথ্য প্রদানে অনীহা এবং অন্য সাংবাদিকদের সাথে স্বজন প্রীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে খানসামা সাংবাদিক ফোরাম জরুরি বৈঠক ডেকে আজ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য উপজেলা প্রশাসন–সংক্রান্ত সব ধরনের সংবাদ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে।
সাংবাদিক ফোরামের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ইউএনও কামরুজ্জামান সরকার সংবাদকর্মীদের সঙ্গে অমর্যাদাকর আচরণ করছেন।
তাদের ভাষ্য—সরকারি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ না জানানো বা ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ রাখা, প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাওয়া কিংবা অনুপযুক্ত প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করা, এবং সামগ্রিকভাবে সাংবাদিকদের ‘অপ্রয়োজনীয়’ হিসেবে দেখানোর মানসিকতা—এসব কেবল সাংবাদিকতা নয়, গণতান্ত্রিক প্রশাসনিক পরিবেশের জন্যও অশুভ সংকেত।
জরুরি বৈঠকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত খানসামা সাংবাদিক ফোরামের আহ্বানে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত সাংবাদিকরা পরিস্থিতিকে ‘অসহনীয়’ উল্লেখ করে একক সিদ্ধান্তে পৌঁছান।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী_উপজেলা প্রশাসনের কোনো অনুষ্ঠান, ইউএনও কার্যালয়ের কোনো বিজ্ঞপ্তি বা সভা, সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড,কিংবা প্রশাসনের যে কোনো দাপ্তরিক কার্যক্রম—পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা হবে না।
খানসামা সাংবাদিক ফোরামের সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন বলেন বলেন, “আমরা সত্য প্রকাশ করি, কারও ব্যক্তিগত স্থান দখল করি না। অথচ আমাদের প্রতি প্রশাসনের এই বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলক। সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা ও বৈষম্যমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার স্বার্থেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
‘সম্মানহানি নয়, ন্যায্য আচরণ চাই’।
সাংবাদিক ফোরামের এক সদস্য বলেন, “প্রশাসনের সঙ্গে সাংবাদিকদের সম্পর্ক হওয়া উচিত সহযোগিতামূলক। কিন্তু বাস্তবে আমরা অবজ্ঞা, অপমান আর অযথা নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হচ্ছি। আমরা সম্মান চাই—বিশেষ সুবিধা নয়।”

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান সরকারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ, তথ্য প্রদানে অনীহা এবং অন্য সাংবাদিকদের সাথে স্বজন প্রীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে খানসামা সাংবাদিক ফোরাম জরুরি বৈঠক ডেকে আজ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য উপজেলা প্রশাসন–সংক্রান্ত সব ধরনের সংবাদ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে।
সাংবাদিক ফোরামের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ইউএনও কামরুজ্জামান সরকার সংবাদকর্মীদের সঙ্গে অমর্যাদাকর আচরণ করছেন।
তাদের ভাষ্য—সরকারি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ না জানানো বা ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ রাখা, প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাওয়া কিংবা অনুপযুক্ত প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করা, এবং সামগ্রিকভাবে সাংবাদিকদের ‘অপ্রয়োজনীয়’ হিসেবে দেখানোর মানসিকতা—এসব কেবল সাংবাদিকতা নয়, গণতান্ত্রিক প্রশাসনিক পরিবেশের জন্যও অশুভ সংকেত।
জরুরি বৈঠকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত খানসামা সাংবাদিক ফোরামের আহ্বানে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত সাংবাদিকরা পরিস্থিতিকে ‘অসহনীয়’ উল্লেখ করে একক সিদ্ধান্তে পৌঁছান।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী_উপজেলা প্রশাসনের কোনো অনুষ্ঠান, ইউএনও কার্যালয়ের কোনো বিজ্ঞপ্তি বা সভা, সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড,কিংবা প্রশাসনের যে কোনো দাপ্তরিক কার্যক্রম—পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা হবে না।
খানসামা সাংবাদিক ফোরামের সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন বলেন বলেন, “আমরা সত্য প্রকাশ করি, কারও ব্যক্তিগত স্থান দখল করি না। অথচ আমাদের প্রতি প্রশাসনের এই বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলক। সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা ও বৈষম্যমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার স্বার্থেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
‘সম্মানহানি নয়, ন্যায্য আচরণ চাই’।
সাংবাদিক ফোরামের এক সদস্য বলেন, “প্রশাসনের সঙ্গে সাংবাদিকদের সম্পর্ক হওয়া উচিত সহযোগিতামূলক। কিন্তু বাস্তবে আমরা অবজ্ঞা, অপমান আর অযথা নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হচ্ছি। আমরা সম্মান চাই—বিশেষ সুবিধা নয়।”

আপনার মতামত লিখুন