ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাসেল ইকবালের বিদায়ঘন মুহূর্তটি পরিণত হয়েছে আবেগঘন ও স্মরণীয় এক দৃশ্যে। সৎ, নিবেদিতপ্রাণ ও মানবিক কর্মধারার জন্য সুপরিচিত এই প্রশাসনিক কর্মকর্তার প্রস্থানকে ঘিরে এলাকাজুড়ে বইছে গভীর আবেগের স্রোত। সরকার কর্তৃক স্বাভাবিক প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবে তার বদলি হলেও আলফাডাঙ্গার মানুষের কাছে এটি হয়ে উঠেছে এক প্রিয় মুখের বিদায়।
বিদায়বেলায় দৈনিক উত্তরের নিউজ আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি জাফর আলী ইউএনও রাসেল ইকবালকে বিশেষভাবে সম্মাননা স্বরূপ একটি সামান্য ভালোবাসার উপহার প্রদান করেন। উপহারটি হাতে পেয়ে ইউএনও রাসেল ইকবাল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতি তার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
ইউএনও রাসেল ইকবাল দায়িত্ব পালনকালে সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানুষের কল্যাণে অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় রেখেছেন। দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অবস্থান, মাঠপর্যায়ে সরাসরি কাজ করা, শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ, স্বাস্থ্যসেবায় নজরদারি, সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি রেখেছেন অনন্য দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে দ্রুত সাড়া দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি সবার হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।
তার বিদায়ে সাধারণ মানুষ থেকে জনপ্রতিনিধি—সবাই গভীর আবেগে মুড়েছে। প্রশাসনের একজন প্রকৃত 'মাঠের যোদ্ধা' হিসেবে তাকে স্মরণ করছেন অনেকেই।
দৈনিক উত্তরের নিউজ আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি জাফর আলী বলেন,
“ইউএনও রাসেল ইকবাল স্যার আমাদের জন্য শুধু একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। তার নেতৃত্ব, সততা ও মানবিকতা ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। বিদায়বেলায় সামান্য উপহারটি ছিল আমাদের পক্ষ থেকে সম্মান ও কৃতজ্ঞতার একটি ছোট্ট প্রকাশ।”
তিনি আরও বলেন,
“দৈনিক উত্তরের নিউজ সর্বদা জনমানুষের কথা তুলে ধরে। একজন সৎ ও আদর্শবান কর্মকর্তার বিদায় সংবাদ তুলে ধরা আমাদের দায়িত্বও বটে। আলফাডাঙ্গাবাসী তার কাজকে আজীবন স্মরণে রাখবে।”
সমগ্র আলফাডাঙ্গায় ইউএনও রাসেল ইকবালকে ঘিরে যে ভালোবাসা, সম্মান ও শ্রদ্ধা দেখা যাচ্ছে—তা প্রমাণ করে তিনি শুধু দায়িত্ব পালন করেননি, বরং মানুষের হৃদয় জয় করেছেন।
বিদায় হলেও আশা রইল—তিনি যেখানেই দায়িত্ব পালন করুন, সেখানেও তার আলো আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ুক।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাসেল ইকবালের বিদায়ঘন মুহূর্তটি পরিণত হয়েছে আবেগঘন ও স্মরণীয় এক দৃশ্যে। সৎ, নিবেদিতপ্রাণ ও মানবিক কর্মধারার জন্য সুপরিচিত এই প্রশাসনিক কর্মকর্তার প্রস্থানকে ঘিরে এলাকাজুড়ে বইছে গভীর আবেগের স্রোত। সরকার কর্তৃক স্বাভাবিক প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবে তার বদলি হলেও আলফাডাঙ্গার মানুষের কাছে এটি হয়ে উঠেছে এক প্রিয় মুখের বিদায়।
বিদায়বেলায় দৈনিক উত্তরের নিউজ আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি জাফর আলী ইউএনও রাসেল ইকবালকে বিশেষভাবে সম্মাননা স্বরূপ একটি সামান্য ভালোবাসার উপহার প্রদান করেন। উপহারটি হাতে পেয়ে ইউএনও রাসেল ইকবাল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতি তার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
ইউএনও রাসেল ইকবাল দায়িত্ব পালনকালে সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানুষের কল্যাণে অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় রেখেছেন। দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অবস্থান, মাঠপর্যায়ে সরাসরি কাজ করা, শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ, স্বাস্থ্যসেবায় নজরদারি, সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি রেখেছেন অনন্য দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে দ্রুত সাড়া দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি সবার হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।
তার বিদায়ে সাধারণ মানুষ থেকে জনপ্রতিনিধি—সবাই গভীর আবেগে মুড়েছে। প্রশাসনের একজন প্রকৃত 'মাঠের যোদ্ধা' হিসেবে তাকে স্মরণ করছেন অনেকেই।
দৈনিক উত্তরের নিউজ আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি জাফর আলী বলেন,
“ইউএনও রাসেল ইকবাল স্যার আমাদের জন্য শুধু একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। তার নেতৃত্ব, সততা ও মানবিকতা ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। বিদায়বেলায় সামান্য উপহারটি ছিল আমাদের পক্ষ থেকে সম্মান ও কৃতজ্ঞতার একটি ছোট্ট প্রকাশ।”
তিনি আরও বলেন,
“দৈনিক উত্তরের নিউজ সর্বদা জনমানুষের কথা তুলে ধরে। একজন সৎ ও আদর্শবান কর্মকর্তার বিদায় সংবাদ তুলে ধরা আমাদের দায়িত্বও বটে। আলফাডাঙ্গাবাসী তার কাজকে আজীবন স্মরণে রাখবে।”
সমগ্র আলফাডাঙ্গায় ইউএনও রাসেল ইকবালকে ঘিরে যে ভালোবাসা, সম্মান ও শ্রদ্ধা দেখা যাচ্ছে—তা প্রমাণ করে তিনি শুধু দায়িত্ব পালন করেননি, বরং মানুষের হৃদয় জয় করেছেন।
বিদায় হলেও আশা রইল—তিনি যেখানেই দায়িত্ব পালন করুন, সেখানেও তার আলো আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ুক।

আপনার মতামত লিখুন