ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের তেলজুরি বাজার ও পর্মশূরদী পশ্চিম পাড়া এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে চালানো এক অতর্কিত হামলায় অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। সোমবার (তারিখ: ২৪ -১১ - ২৫ )ভোর ৬টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ—ফরিদপুরের সালথা উপজেলার খারদিয়া গ্রামের শতাধিক লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এই হামলা চালায়। রামদা, চাইনিজ কুড়াল, লাঠিসোটা, ইট-পাটকেলসহ বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহার করে বাড়িঘর ভাঙচুর, বাজারে তাণ্ডব ও গ্রামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়।
হামলার বিবরণ
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, খারদিয়া ও পর্মশূরদী গ্রামের একটি অংশ থেকে শতাধিক মানুষ হঠাৎ করেই তেলজুরি বাজার এবং আশপাশের গ্রামগুলোতে ঢুকে পড়ে। মুহূর্তেই শুরু হয় নির্বিচারে হামলা ও ভাঙচুর। এতে গুরুতরসহ ৪০–৫০ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—
শেখর ইউনিয়নের দৈবকান্দপুর গ্রামের আফতাব (৪২)
দুর্গাপুর চকপাড়ার নাদেম
বাজেদাদপুর গ্রামের সবজি ব্যবসায়ী রেজাউল
বিপ্লব, ওহিদ, ইউনুঢ
দুর্গাপুরের লিপ্টন শিকদার
এবং আরও অন্তত ৫০ জন গ্রামবাসী।
স্থানীয়দের দাবি—পর্মশূরদী গ্রামের মাসুদ ও হারুনের নেতৃত্বে সালথার খারদিয়া গ্রাম থেকে লোকজন এনে এই হামলা চালানো হয়। হারুনের ছেলের গোসল নিয়ে সামান্য বিবাদের জেরে উত্তেজনা তৈরি হলেও, হামলাটি ছিল পুরোপুরি পূর্বপরিকল্পিত।
গ্রামবাসীর অভিযোগ
ভুক্তভোগীরা জানান—হামলাকারীরা গ্রামে প্রবেশ করেই নির্বিচারে আক্রমণ শুরু করে। বাড়িঘর, দোকানপাট, আসবাবপত্র ভাঙচুরের মাধ্যমে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। গ্রামজুড়ে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়ে পড়ে।
প্রশাসনের বক্তব্য
বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন,
“খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে আটক করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান—ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের শনাক্তের কাজ চলছে। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের তেলজুরি বাজার ও পর্মশূরদী পশ্চিম পাড়া এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে চালানো এক অতর্কিত হামলায় অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। সোমবার (তারিখ: ২৪ -১১ - ২৫ )ভোর ৬টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ—ফরিদপুরের সালথা উপজেলার খারদিয়া গ্রামের শতাধিক লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এই হামলা চালায়। রামদা, চাইনিজ কুড়াল, লাঠিসোটা, ইট-পাটকেলসহ বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহার করে বাড়িঘর ভাঙচুর, বাজারে তাণ্ডব ও গ্রামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়।
হামলার বিবরণ
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, খারদিয়া ও পর্মশূরদী গ্রামের একটি অংশ থেকে শতাধিক মানুষ হঠাৎ করেই তেলজুরি বাজার এবং আশপাশের গ্রামগুলোতে ঢুকে পড়ে। মুহূর্তেই শুরু হয় নির্বিচারে হামলা ও ভাঙচুর। এতে গুরুতরসহ ৪০–৫০ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—
শেখর ইউনিয়নের দৈবকান্দপুর গ্রামের আফতাব (৪২)
দুর্গাপুর চকপাড়ার নাদেম
বাজেদাদপুর গ্রামের সবজি ব্যবসায়ী রেজাউল
বিপ্লব, ওহিদ, ইউনুঢ
দুর্গাপুরের লিপ্টন শিকদার
এবং আরও অন্তত ৫০ জন গ্রামবাসী।
স্থানীয়দের দাবি—পর্মশূরদী গ্রামের মাসুদ ও হারুনের নেতৃত্বে সালথার খারদিয়া গ্রাম থেকে লোকজন এনে এই হামলা চালানো হয়। হারুনের ছেলের গোসল নিয়ে সামান্য বিবাদের জেরে উত্তেজনা তৈরি হলেও, হামলাটি ছিল পুরোপুরি পূর্বপরিকল্পিত।
গ্রামবাসীর অভিযোগ
ভুক্তভোগীরা জানান—হামলাকারীরা গ্রামে প্রবেশ করেই নির্বিচারে আক্রমণ শুরু করে। বাড়িঘর, দোকানপাট, আসবাবপত্র ভাঙচুরের মাধ্যমে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। গ্রামজুড়ে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়ে পড়ে।
প্রশাসনের বক্তব্য
বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন,
“খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে আটক করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান—ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের শনাক্তের কাজ চলছে। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন