দিনাজপুরের খানসামা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে দায়ের করা মামলায় ৬৭.৪০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার অভিযানের অন্যতম আসামী মোঃ আজাহার আলী (৬০)-কে গ্রেফতারের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আজাহার আলী দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার উত্তর নশরতপুর সারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(গ)/
৪১ ধারায় দায়ের করা মামলা নং-০৫, জিআর নং-১২৫, তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ২১ নভেম্বর ২০২৫ রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিনাজপুর শহরের দক্ষিণ কোতোয়ালি থানার মালিগ্রাম বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে নিয়মিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে খানসামা থানায় এনে মামলার নথির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।
গ্রেফতার প্রক্রিয়ায় অংশ নেন কনস্টেবল ফাহাদ হোসেন (কং/১৬৯২) ও ইসলাম (কং/১২৩৩)। সোমবার সকালে তারা যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে আসামীকে আদালতে প্রেরণ করেন।
ওসি নজমুল হক বলেন, মাদক সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি। এই মামলায় গ্রেফতারকৃত আজাহার আলী দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পাওয়া গেছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা তাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে, এবং খানসামা এলাকায় কোনো চক্রকে মাদক ব্যবসা চালাতে দেওয়া হবে না।"

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ নভেম্বর ২০২৫
দিনাজপুরের খানসামা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে দায়ের করা মামলায় ৬৭.৪০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার অভিযানের অন্যতম আসামী মোঃ আজাহার আলী (৬০)-কে গ্রেফতারের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আজাহার আলী দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার উত্তর নশরতপুর সারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(গ)/
৪১ ধারায় দায়ের করা মামলা নং-০৫, জিআর নং-১২৫, তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ২১ নভেম্বর ২০২৫ রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিনাজপুর শহরের দক্ষিণ কোতোয়ালি থানার মালিগ্রাম বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে নিয়মিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে খানসামা থানায় এনে মামলার নথির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।
গ্রেফতার প্রক্রিয়ায় অংশ নেন কনস্টেবল ফাহাদ হোসেন (কং/১৬৯২) ও ইসলাম (কং/১২৩৩)। সোমবার সকালে তারা যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে আসামীকে আদালতে প্রেরণ করেন।
ওসি নজমুল হক বলেন, মাদক সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি। এই মামলায় গ্রেফতারকৃত আজাহার আলী দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পাওয়া গেছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা তাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে, এবং খানসামা এলাকায় কোনো চক্রকে মাদক ব্যবসা চালাতে দেওয়া হবে না।"

আপনার মতামত লিখুন