সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সুজনসাহা গ্রামের রাজ্জাক শেখের ছেলে ইসমাইলের বিরুদ্ধে গত ৪ বছরে ৩টি বিয়ে করে যৌতুক হিসেবে প্রায় ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, বিষয়টি প্রকাশের উদ্যোগ নিলে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ইসমাইলের আত্মীয়-স্বজনের পক্ষ থেকে বলা হয়, “যা করেছি, করেছি। আপনারা যা পারেন তাই করেন। বেশি বাড়াবাড়ি করলে হত্যা করব।” তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান ইসমাইল ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিনটি বিয়ে করেছেন। প্রতিবারই কনের পরিবারের কাছ থেকে নগদ টাকা, মোটরসাইকেল এবং বিভিন্ন গৃহস্থালি সামগ্রী যৌতুক হিসেবে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তিনি আবারও নতুন করে বিয়ে করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ২০২২ সালে পাইকগাছা উপজেলায় প্রথম বিয়ের সময় তিনি যৌতুক হিসেবে নগদ ২ লাখ টাকা, একটি ডিসকভার মোটরসাইকেল এবং প্রায় ৪ লাখ টাকার বিভিন্ন সাংসারিক আসবাবপত্র গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তার চাচাতো শালীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ার পর প্রথম স্ত্রী তাকে তালাক দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর কিছুদিন পর ইসমাইল তালা উপজেলার নগরঘাটা গ্রামের এক অনার্সপড়ুয়া (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) তরুণীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বিয়ের পর দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, একটি মোটরসাইকেল এবং বিভিন্ন সাংসারিক জিনিসপত্র নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের সংসারে একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেওয়ার পর আরও ৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। দাবি করা টাকা না দেওয়ায় তিনি শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম করেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
এরপরও তিনি আবার বিয়ে করেন। সর্বশেষ নিজ এলাকার এক হজ এজেন্সি মালিকের স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ইসমাইলের বাবা, মা ও বোনের পরামর্শে তিনি একের পর এক বিয়ে করে আসছেন। এলাকাবাসীর কেউ কেউ দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এর আগেও উঠেছে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইসমাইলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সুজনসাহা গ্রামের রাজ্জাক শেখের ছেলে ইসমাইলের বিরুদ্ধে গত ৪ বছরে ৩টি বিয়ে করে যৌতুক হিসেবে প্রায় ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, বিষয়টি প্রকাশের উদ্যোগ নিলে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ইসমাইলের আত্মীয়-স্বজনের পক্ষ থেকে বলা হয়, “যা করেছি, করেছি। আপনারা যা পারেন তাই করেন। বেশি বাড়াবাড়ি করলে হত্যা করব।” তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান ইসমাইল ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিনটি বিয়ে করেছেন। প্রতিবারই কনের পরিবারের কাছ থেকে নগদ টাকা, মোটরসাইকেল এবং বিভিন্ন গৃহস্থালি সামগ্রী যৌতুক হিসেবে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তিনি আবারও নতুন করে বিয়ে করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ২০২২ সালে পাইকগাছা উপজেলায় প্রথম বিয়ের সময় তিনি যৌতুক হিসেবে নগদ ২ লাখ টাকা, একটি ডিসকভার মোটরসাইকেল এবং প্রায় ৪ লাখ টাকার বিভিন্ন সাংসারিক আসবাবপত্র গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তার চাচাতো শালীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ার পর প্রথম স্ত্রী তাকে তালাক দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর কিছুদিন পর ইসমাইল তালা উপজেলার নগরঘাটা গ্রামের এক অনার্সপড়ুয়া (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) তরুণীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বিয়ের পর দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, একটি মোটরসাইকেল এবং বিভিন্ন সাংসারিক জিনিসপত্র নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের সংসারে একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেওয়ার পর আরও ৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। দাবি করা টাকা না দেওয়ায় তিনি শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম করেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
এরপরও তিনি আবার বিয়ে করেন। সর্বশেষ নিজ এলাকার এক হজ এজেন্সি মালিকের স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ইসমাইলের বাবা, মা ও বোনের পরামর্শে তিনি একের পর এক বিয়ে করে আসছেন। এলাকাবাসীর কেউ কেউ দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এর আগেও উঠেছে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইসমাইলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন