সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে প্রায় ২ হাজার ২০০ ঘনফুট চোরাই পাথর জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের কলাবাড়ী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিন মিয়া।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযান চালিয়ে দুটি হাইড্রলিক ট্রাক ও ছয়টি ট্রাক্টরে প্রায় ২ হাজার ২০০ ঘনফুট আস্ত ও ভাঙা পাথর জব্দ করা হয়। এর মধ্যে উৎমা ছড়ার ৮০০ ঘনফুট বোল্ডার, সাদা পাথর ৪০০ ঘনফুট বোল্ডার,
এবং সাদা পাথর ও উৎমাছড়ার ভাঙা পাথর ১ হাজার ঘনফুট।
আরও জানা গেছে, ইতোপূর্বে বিভিন্ন স্থানে সাদাপাথর, শাহ আরেফিন টিলার পাথর ও উৎমা ছড়ার পাথর জব্দ করে তা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জিম্মায় দেওয়া হতো। কিন্তু রাতের আঁধারে মাঝেমধ্যে এসব পাথর চুরি হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এতে রাজস্ব হারায় সরকার। এজন্য জব্দকৃত আস্ত পাথর উপজেলা পরিষদের পাশে নদীর বাঁধে ডাম্পিং এবং ভাঙা পাথরগুলো উপজেলা পরিষদের সামনে রাখা হয়েছে। আবেদনের প্রেক্ষিতে জব্দকৃত ভাঙাপাথর বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও মসজিদের নির্মাণকাজের জন্য বন্টন করে দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, “অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও লুটপাট ঠেকাতে উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সাদাপাথর কাণ্ডের পর থেকে এ পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রায় এক কোটি টাকা জরিমানা আদায় এবং ৩০০-এর বেশি ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জব্দ করা অবৈধ বালু নিলামে বিক্রি করে প্রায় দেড় কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।”

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে প্রায় ২ হাজার ২০০ ঘনফুট চোরাই পাথর জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের কলাবাড়ী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিন মিয়া।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযান চালিয়ে দুটি হাইড্রলিক ট্রাক ও ছয়টি ট্রাক্টরে প্রায় ২ হাজার ২০০ ঘনফুট আস্ত ও ভাঙা পাথর জব্দ করা হয়। এর মধ্যে উৎমা ছড়ার ৮০০ ঘনফুট বোল্ডার, সাদা পাথর ৪০০ ঘনফুট বোল্ডার,
এবং সাদা পাথর ও উৎমাছড়ার ভাঙা পাথর ১ হাজার ঘনফুট।
আরও জানা গেছে, ইতোপূর্বে বিভিন্ন স্থানে সাদাপাথর, শাহ আরেফিন টিলার পাথর ও উৎমা ছড়ার পাথর জব্দ করে তা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জিম্মায় দেওয়া হতো। কিন্তু রাতের আঁধারে মাঝেমধ্যে এসব পাথর চুরি হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এতে রাজস্ব হারায় সরকার। এজন্য জব্দকৃত আস্ত পাথর উপজেলা পরিষদের পাশে নদীর বাঁধে ডাম্পিং এবং ভাঙা পাথরগুলো উপজেলা পরিষদের সামনে রাখা হয়েছে। আবেদনের প্রেক্ষিতে জব্দকৃত ভাঙাপাথর বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও মসজিদের নির্মাণকাজের জন্য বন্টন করে দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, “অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও লুটপাট ঠেকাতে উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সাদাপাথর কাণ্ডের পর থেকে এ পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রায় এক কোটি টাকা জরিমানা আদায় এবং ৩০০-এর বেশি ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জব্দ করা অবৈধ বালু নিলামে বিক্রি করে প্রায় দেড় কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন