‘ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের জন্য ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত, নিয়োজিত রয়েছে মেডিকেল ও উদ্ধারকারী টিম’ — ইউএনও।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পান্না আক্তার। পরিদর্শনকালে তিনি বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের মাঝে নগদ অর্থ ও জরুরি ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করেন।
১১ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪ ঘটিকার সময় পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরীকে সাথে নিয়ে তিনি এই পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেওয়া হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে ত্রাণ ও আর্থিক অনুদান পৌঁছে দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে ত্রাণ সহায়তা পান—পালংখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মনোয়ারা (স্বামী: মোজাম্মেল)। ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রহিম (পিতা: আব্দুল গফুর)।
এছাড়াও ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বন্যাকবলিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝেও এই নগদ অর্থ ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণ শেষে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত সাধারণ মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে বা আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়।
দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে উল্লেখ করে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন:"আমরা একটি অত্যন্ত দুর্যোগময় সময় পার করছি। এই সংকট মোকাবিলায় শুধুমাত্র উখিয়া উপজেলাতেই ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিগুলো মাঠ পর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করছে, যা আমি নিজে সরাসরি তদারকি করছি। পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরাও বন্যাকবলিত এলাকার খোঁজখবর রাখছেন।"
তিনি আরও জানান, বন্যার্তদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সমন্বয়ে একটি দক্ষ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। একই সাথে যেকোনো জরুরি উদ্ধার অভিযানের জন্য ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ টিম পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।
কোথাও নতুন করে পানি বাড়লে বা কেউ বিপদে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে অবহিত করার আহ্বান জানিয়ে ইউএনও বলেন, তথ্য পাওয়া মাত্রই দ্রুততম সময়ে উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছে যাবে।
ত্রাণ বিতরণ ও এলাকা পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পালংখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল হক মেম্বার, ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিছবাহ উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
‘ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের জন্য ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত, নিয়োজিত রয়েছে মেডিকেল ও উদ্ধারকারী টিম’ — ইউএনও।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পান্না আক্তার। পরিদর্শনকালে তিনি বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের মাঝে নগদ অর্থ ও জরুরি ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করেন।
১১ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪ ঘটিকার সময় পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরীকে সাথে নিয়ে তিনি এই পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেওয়া হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে ত্রাণ ও আর্থিক অনুদান পৌঁছে দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে ত্রাণ সহায়তা পান—পালংখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মনোয়ারা (স্বামী: মোজাম্মেল)। ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রহিম (পিতা: আব্দুল গফুর)।
এছাড়াও ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বন্যাকবলিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝেও এই নগদ অর্থ ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণ শেষে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত সাধারণ মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে বা আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়।
দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে উল্লেখ করে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন:"আমরা একটি অত্যন্ত দুর্যোগময় সময় পার করছি। এই সংকট মোকাবিলায় শুধুমাত্র উখিয়া উপজেলাতেই ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিগুলো মাঠ পর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করছে, যা আমি নিজে সরাসরি তদারকি করছি। পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরাও বন্যাকবলিত এলাকার খোঁজখবর রাখছেন।"
তিনি আরও জানান, বন্যার্তদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সমন্বয়ে একটি দক্ষ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। একই সাথে যেকোনো জরুরি উদ্ধার অভিযানের জন্য ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ টিম পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।
কোথাও নতুন করে পানি বাড়লে বা কেউ বিপদে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে অবহিত করার আহ্বান জানিয়ে ইউএনও বলেন, তথ্য পাওয়া মাত্রই দ্রুততম সময়ে উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছে যাবে।
ত্রাণ বিতরণ ও এলাকা পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পালংখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল হক মেম্বার, ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিছবাহ উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন