কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা বালিকা মাদ্রাসার দক্ষিণ পাশে গড়ে উঠেছে একটি দৃষ্টিনন্দন মিশ্র ফল বাগান। তরুণ উদ্যোক্তা হৃদয় মজুমদারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ বাগানে ড্রাগন ফলের পাশাপাশি আম, লিচু, কলা ও বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি সবজির চাষ করা হচ্ছে। আধুনিক কৃষি পদ্ধতির মাধ্যমে গড়ে তোলা এই বাগান ইতোমধ্যে স্থানীয়দের নজর কেড়েছে।
বাগানের মধ্যে প্রায় ১২০ শতক জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ করা হয়েছে। এখানে লাল, সাদা ও হলুদ বিভিন্ন জাতের ড্রাগন ফলের গাছ রয়েছে। চলতি মৌসুমে গাছে প্রচুর ফল ধরেছে এবং বর্তমানে ফল সংগ্রহ চলছে। ফলে স্থানীয় ক্রেতারা বাগান থেকেই সরাসরি টাটকা ড্রাগন ফল সংগ্রহ করতে পারছেন।
হৃদয় হাসান জানান, কৃষিকে লাভজনক ও আধুনিক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়েই তিনি এই মিশ্র ফল বাগান গড়ে তুলেছেন। ড্রাগনের পাশাপাশি আম, লিচু, কলা ও বিভিন্ন সবজি চাষের মাধ্যমে একই জমি থেকে সারা বছর উৎপাদন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, যারা নিরাপদ ও টাটকা ফল খেতে চান, তারা সরাসরি বাগানে এসে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
স্থানীয়দের মতে, তরুণ উদ্যোক্তা হৃদয় হাসানের এই উদ্যোগ শুধু লাভজনক কৃষির উদাহরণই নয়, বরং এলাকার অন্যান্য তরুণদেরও কৃষিখাতে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে। সঠিক পরিচর্যা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি ফল বাগান কীভাবে সফল উদ্যোগে পরিণত হতে পারে, তার বাস্তব উদাহরণ এই মিশ্র ফল বাগান।
বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন কৃষি কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সবসময় সার,বীজ দিয়ে সহযোগিতা করে আসছি। নতুন কেউ কৃষি উদ্যোক্ত হতে চাইলে তাকেও আমরা সহযোগিতা করব।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা বালিকা মাদ্রাসার দক্ষিণ পাশে গড়ে উঠেছে একটি দৃষ্টিনন্দন মিশ্র ফল বাগান। তরুণ উদ্যোক্তা হৃদয় মজুমদারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ বাগানে ড্রাগন ফলের পাশাপাশি আম, লিচু, কলা ও বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি সবজির চাষ করা হচ্ছে। আধুনিক কৃষি পদ্ধতির মাধ্যমে গড়ে তোলা এই বাগান ইতোমধ্যে স্থানীয়দের নজর কেড়েছে।
বাগানের মধ্যে প্রায় ১২০ শতক জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ করা হয়েছে। এখানে লাল, সাদা ও হলুদ বিভিন্ন জাতের ড্রাগন ফলের গাছ রয়েছে। চলতি মৌসুমে গাছে প্রচুর ফল ধরেছে এবং বর্তমানে ফল সংগ্রহ চলছে। ফলে স্থানীয় ক্রেতারা বাগান থেকেই সরাসরি টাটকা ড্রাগন ফল সংগ্রহ করতে পারছেন।
হৃদয় হাসান জানান, কৃষিকে লাভজনক ও আধুনিক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়েই তিনি এই মিশ্র ফল বাগান গড়ে তুলেছেন। ড্রাগনের পাশাপাশি আম, লিচু, কলা ও বিভিন্ন সবজি চাষের মাধ্যমে একই জমি থেকে সারা বছর উৎপাদন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, যারা নিরাপদ ও টাটকা ফল খেতে চান, তারা সরাসরি বাগানে এসে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
স্থানীয়দের মতে, তরুণ উদ্যোক্তা হৃদয় হাসানের এই উদ্যোগ শুধু লাভজনক কৃষির উদাহরণই নয়, বরং এলাকার অন্যান্য তরুণদেরও কৃষিখাতে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে। সঠিক পরিচর্যা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি ফল বাগান কীভাবে সফল উদ্যোগে পরিণত হতে পারে, তার বাস্তব উদাহরণ এই মিশ্র ফল বাগান।
বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন কৃষি কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সবসময় সার,বীজ দিয়ে সহযোগিতা করে আসছি। নতুন কেউ কৃষি উদ্যোক্ত হতে চাইলে তাকেও আমরা সহযোগিতা করব।

আপনার মতামত লিখুন