মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার পূর্ব রশুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা শাহ জালাল পান কবিরাজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে আবিরপাড়া গ্রামে নির্মিত একটি কাঠের সেতুর উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুমা দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সেতুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, মুসল্লি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে স্থানীয়দের চলাচলের দুর্ভোগ লাঘবে শাহ জালাল পান কবিরাজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু করা হয়। প্রায় দেড় লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কাঠের সেতু চালু হওয়ায় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হয়েছে।
এরও আগে উপজেলা পরিষদ কড়ইতলা হয়ে আবিরপাড়া সংযোগ সড়কের মাঝামাঝি স্থানে শাহ জালাল পান কবিরাজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে আরেকটি কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। ওই সময় স্থানীয়দের অনুরোধে তিনি আরও একটি সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এই সেতুটি নির্মাণ ও উদ্বোধন করা হয়েছে।
উদ্বোধন শেষে শাহ জালাল পান কবিরাজ বলেন, এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ করতে এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভবিষ্যতেও তিনি কাজ করে যাবেন।
স্থানীয়রা তার এই উদ্যোগের প্রশংসা করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, নতুন সেতুটি চালু হওয়ায় তাদের দৈনন্দিন যাতায়াত অনেক সহজ ও নিরাপদ হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার পূর্ব রশুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা শাহ জালাল পান কবিরাজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে আবিরপাড়া গ্রামে নির্মিত একটি কাঠের সেতুর উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুমা দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সেতুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, মুসল্লি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে স্থানীয়দের চলাচলের দুর্ভোগ লাঘবে শাহ জালাল পান কবিরাজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু করা হয়। প্রায় দেড় লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কাঠের সেতু চালু হওয়ায় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হয়েছে।
এরও আগে উপজেলা পরিষদ কড়ইতলা হয়ে আবিরপাড়া সংযোগ সড়কের মাঝামাঝি স্থানে শাহ জালাল পান কবিরাজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে আরেকটি কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। ওই সময় স্থানীয়দের অনুরোধে তিনি আরও একটি সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এই সেতুটি নির্মাণ ও উদ্বোধন করা হয়েছে।
উদ্বোধন শেষে শাহ জালাল পান কবিরাজ বলেন, এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ করতে এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভবিষ্যতেও তিনি কাজ করে যাবেন।
স্থানীয়রা তার এই উদ্যোগের প্রশংসা করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, নতুন সেতুটি চালু হওয়ায় তাদের দৈনন্দিন যাতায়াত অনেক সহজ ও নিরাপদ হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন