আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একটাই নাম - হাজী মোহাম্মদ সবুজ আলম। মাঠ পর্যায়ে জনসংযোগ, জনসেবা আর নিজ অর্থায়নে রাস্তা সংস্কারের মতো উদ্যোগের কারণে ভোটারদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা এখন চোখে পড়ার মতো।
গত ২৮ জুন রশিদ মিয়া বাড়ি থেকে পাগলাপাড়া খালের মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত বেহাল রাস্তাটি সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষা না করেই নিজ উদ্যোগে সংস্কার করেন তিনি। ইটের খোয়া, বালু দিয়ে চলাচল উপযোগী করায় বর্ষার দুর্ভোগ থেকে রেহাই পেয়েছেন কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ।
মাঠে দাঁড়িয়ে কাজ তদারকি করতে দেখা গেছে তাকে। স্থানীয় তরুণ, মুরব্বি সবাই কাজে হাত লাগিয়েছেন। এক বৃদ্ধ বলেন, “পদে নাই, তবুও মানুষের জন্য দৌড়ান। এমন মানুষই তো আমরা চেয়ারম্যান হিসেবে চাই।”
এলাকার প্রবীণরা তাকে সাবেক চেয়ারম্যান হাজী এম. এ. জাহের সাহেবের “সুযোগ্য উত্তরসূরি” হিসেবে দেখেন। বাবার দেখানো জনকল্যাণের পথেই হাঁটছেন সবুজ আলম। সেই বিশ্বাস থেকেই সাধারণ মানুষের আস্থা তার দিকে ঝুঁকছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
চায়ের দোকান থেকে ঘরে ঘরে একই কথা দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের আগামী কর্ণদার হবে সবুজ আলম।ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, ভোটারদের মুখে এখন একটাই প্রতিধ্বনি। চায়ের স্টল, হাট-বাজার আর পাড়ার আড্ডায় মানুষ বলছেন: “হাজী এম. এ. জাহের সাহেবের সুযোগ্য সন্তান সবুজ আলম সাহেবের মতো নেতাই আমাদের আগামীর চেয়ারম্যান।”
রাজনৈতিক মেরুকরণের বাইরে গিয়ে শুধু কাজ দিয়ে মানুষের মন জয় করায়, অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের তুলনায় তিনি জনপ্রিয়তায় স্পষ্টভাবে এগিয়ে আছেন বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একটাই নাম - হাজী মোহাম্মদ সবুজ আলম। মাঠ পর্যায়ে জনসংযোগ, জনসেবা আর নিজ অর্থায়নে রাস্তা সংস্কারের মতো উদ্যোগের কারণে ভোটারদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা এখন চোখে পড়ার মতো।
গত ২৮ জুন রশিদ মিয়া বাড়ি থেকে পাগলাপাড়া খালের মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত বেহাল রাস্তাটি সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষা না করেই নিজ উদ্যোগে সংস্কার করেন তিনি। ইটের খোয়া, বালু দিয়ে চলাচল উপযোগী করায় বর্ষার দুর্ভোগ থেকে রেহাই পেয়েছেন কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ।
মাঠে দাঁড়িয়ে কাজ তদারকি করতে দেখা গেছে তাকে। স্থানীয় তরুণ, মুরব্বি সবাই কাজে হাত লাগিয়েছেন। এক বৃদ্ধ বলেন, “পদে নাই, তবুও মানুষের জন্য দৌড়ান। এমন মানুষই তো আমরা চেয়ারম্যান হিসেবে চাই।”
এলাকার প্রবীণরা তাকে সাবেক চেয়ারম্যান হাজী এম. এ. জাহের সাহেবের “সুযোগ্য উত্তরসূরি” হিসেবে দেখেন। বাবার দেখানো জনকল্যাণের পথেই হাঁটছেন সবুজ আলম। সেই বিশ্বাস থেকেই সাধারণ মানুষের আস্থা তার দিকে ঝুঁকছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
চায়ের দোকান থেকে ঘরে ঘরে একই কথা দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের আগামী কর্ণদার হবে সবুজ আলম।ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, ভোটারদের মুখে এখন একটাই প্রতিধ্বনি। চায়ের স্টল, হাট-বাজার আর পাড়ার আড্ডায় মানুষ বলছেন: “হাজী এম. এ. জাহের সাহেবের সুযোগ্য সন্তান সবুজ আলম সাহেবের মতো নেতাই আমাদের আগামীর চেয়ারম্যান।”
রাজনৈতিক মেরুকরণের বাইরে গিয়ে শুধু কাজ দিয়ে মানুষের মন জয় করায়, অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের তুলনায় তিনি জনপ্রিয়তায় স্পষ্টভাবে এগিয়ে আছেন বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন