সাতক্ষীরা জেলার এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে একজন সাংবাদিককে হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী সাংবাদিক আল আমিন সরদার দাবি করেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। এর জের ধরেই তাকে বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছে একটি অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হলে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং টেলিফোনে হুমকি দেন.ওই কথোপকথনের কল রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে। সাংবাদিক আল আমিন সরদারকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করার হুমকিও দেওয়া হয়।
৩০/০৬/২০২৬/ মঙ্গলবার , সর্বশেষ রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে ডিবি পুলিশের পরিচয় ব্যবহারকারী কয়েকজন ব্যক্তি তার অবস্থানের আশপাশে আসে। তার , এ ঘটনার পেছনে সাতক্ষীরার স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও সাবেক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত মিঠু খানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
আল আমিন সরদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এলে ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিরা দ্রুত সরে যায় যে খানে মিঠু খান সন্ত্রাসী বাহিনী জিমি ও দেবভাটা আবদুল আলমামুন সহ ১০ জন লোক সাংবাদিক আল আমিন সরদার বাসায় হত্যা করার জন্য পাঠায় । এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্ত কামনা করেছেন এবং দেবহাটা থানার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
অভিযোগকারী জানান, তার কাছে থাকা কল রেকর্ড, ভিডিও, লাইভ সম্প্রচার এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ তিনি প্রয়োজনে তদন্তকারী সংস্থার কাছে উপস্থাপন করতে প্রস্তুত।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষী প্রমাণিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
সাতক্ষীরা জেলার এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে একজন সাংবাদিককে হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী সাংবাদিক আল আমিন সরদার দাবি করেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। এর জের ধরেই তাকে বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছে একটি অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হলে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং টেলিফোনে হুমকি দেন.ওই কথোপকথনের কল রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে। সাংবাদিক আল আমিন সরদারকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করার হুমকিও দেওয়া হয়।
৩০/০৬/২০২৬/ মঙ্গলবার , সর্বশেষ রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে ডিবি পুলিশের পরিচয় ব্যবহারকারী কয়েকজন ব্যক্তি তার অবস্থানের আশপাশে আসে। তার , এ ঘটনার পেছনে সাতক্ষীরার স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও সাবেক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত মিঠু খানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
আল আমিন সরদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এলে ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিরা দ্রুত সরে যায় যে খানে মিঠু খান সন্ত্রাসী বাহিনী জিমি ও দেবভাটা আবদুল আলমামুন সহ ১০ জন লোক সাংবাদিক আল আমিন সরদার বাসায় হত্যা করার জন্য পাঠায় । এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্ত কামনা করেছেন এবং দেবহাটা থানার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
অভিযোগকারী জানান, তার কাছে থাকা কল রেকর্ড, ভিডিও, লাইভ সম্প্রচার এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ তিনি প্রয়োজনে তদন্তকারী সংস্থার কাছে উপস্থাপন করতে প্রস্তুত।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষী প্রমাণিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন