জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর সাড়া প্রদানের লক্ষ্যে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এ ড্রিল পরিচালিত হয়। সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. মো. জিল্লুর রহমান এবং সিলেট জেলা পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেকের নির্দেশনায় এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
ড্রিলের অংশ হিসেবে কোম্পানীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণ থেকে একটি মহড়া বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বিভিন্ন চেকপোস্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়। পাশাপাশি মাদক, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, ড্রিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করা, বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা, মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি ও শৃঙ্খলার বাস্তব মূল্যায়ন এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, সক্ষমতা ও দায়িত্ববোধ আরও সুসংহত করা।
এতে নেতৃত্ব দেন কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান এবং ওসি (তদন্ত) সুজন কর্মকার। এছাড়া সেকেন্ড অফিসার জগৎজ্যোতি দাস, থানার এসআই, এএসআইসহ শতাধিক পুলিশ সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান বলেন, “জনগণের জানমাল রক্ষা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলায় কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোম্পানীগঞ্জের মানুষ যাতে শান্তিতে বসবাস করতে পারে, সে লক্ষ্যে পুলিশ নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধী যত বড় বা শক্তিশালীই হোক, আইনের আওতার বাইরে থাকতে পারবে না।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর সাড়া প্রদানের লক্ষ্যে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এ ড্রিল পরিচালিত হয়। সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. মো. জিল্লুর রহমান এবং সিলেট জেলা পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেকের নির্দেশনায় এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
ড্রিলের অংশ হিসেবে কোম্পানীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণ থেকে একটি মহড়া বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বিভিন্ন চেকপোস্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়। পাশাপাশি মাদক, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, ড্রিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করা, বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা, মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি ও শৃঙ্খলার বাস্তব মূল্যায়ন এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, সক্ষমতা ও দায়িত্ববোধ আরও সুসংহত করা।
এতে নেতৃত্ব দেন কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান এবং ওসি (তদন্ত) সুজন কর্মকার। এছাড়া সেকেন্ড অফিসার জগৎজ্যোতি দাস, থানার এসআই, এএসআইসহ শতাধিক পুলিশ সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান বলেন, “জনগণের জানমাল রক্ষা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলায় কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোম্পানীগঞ্জের মানুষ যাতে শান্তিতে বসবাস করতে পারে, সে লক্ষ্যে পুলিশ নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধী যত বড় বা শক্তিশালীই হোক, আইনের আওতার বাইরে থাকতে পারবে না।

আপনার মতামত লিখুন