‘কৃষিই সমৃদ্ধি’-এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে এবং পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে লালমনিরহাটে উদযাপিত হলো ‘ফলমেলা-২০২৬’। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে খামারবাড়ি চত্বরে এই মেলার আয়োজন করা হয়, যা স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
সকাল ১১:৩০ মিনিটে আয়োজিত মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতিনিধি হিসেবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রাসেল মিয়া।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, লালমনিরহাটের উপপরিচালক ড. মোঃ সাইখুল আরিফিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট সরকারি কলেজের অধ্যাপক আবু ইমাম মোহাম্মদ রাশেদুন নবী, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল হাকিম, এলজিইডির উপপরিচালক কাওছার আলম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার সোহায়েল আহমেদ এবং জেলা কৃষক দলের সভাপতি নুরনবী মোস্তফাসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, “বর্তমান সময়ে পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফল চাষের কোনো বিকল্প নেই। দেশীয় ফলের বাণিজ্যিক চাষাবাদ ও তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে পারলে একদিকে যেমন অর্থনীতির চাকা সচল হবে, তেমনি মানুষের স্বাস্থ্যসেবার মানও বৃদ্ধি পাবে।” বক্তারা স্থানীয় চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফলের উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান জানান।
মেলায় মোট ১২টি স্টল অংশগ্রহণ করে। স্টলগুলোতে বারোমাসি বিভিন্ন প্রজাতির ফলসহ স্থানীয় জাতের ফলের প্রদর্শনী ও বৈজ্ঞানিক সংরক্ষণ পদ্ধতি তুলে ধরা হয়। দর্শনার্থী ও কৃষকরা স্টলগুলো ঘুরে দেখেন এবং কৃষি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ফলের জাত ও পরিচর্যা সম্পর্কে পরামর্শ গ্রহণ করেন।
স্থানীয় পর্যায়ে ফল চাষে আগ্রহী উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এই উদ্যোগকে স্থানীয় সুধী সমাজ স্বাগত জানিয়েছেন। মেলাটি স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
‘কৃষিই সমৃদ্ধি’-এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে এবং পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে লালমনিরহাটে উদযাপিত হলো ‘ফলমেলা-২০২৬’। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে খামারবাড়ি চত্বরে এই মেলার আয়োজন করা হয়, যা স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
সকাল ১১:৩০ মিনিটে আয়োজিত মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতিনিধি হিসেবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রাসেল মিয়া।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, লালমনিরহাটের উপপরিচালক ড. মোঃ সাইখুল আরিফিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট সরকারি কলেজের অধ্যাপক আবু ইমাম মোহাম্মদ রাশেদুন নবী, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল হাকিম, এলজিইডির উপপরিচালক কাওছার আলম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার সোহায়েল আহমেদ এবং জেলা কৃষক দলের সভাপতি নুরনবী মোস্তফাসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, “বর্তমান সময়ে পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফল চাষের কোনো বিকল্প নেই। দেশীয় ফলের বাণিজ্যিক চাষাবাদ ও তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে পারলে একদিকে যেমন অর্থনীতির চাকা সচল হবে, তেমনি মানুষের স্বাস্থ্যসেবার মানও বৃদ্ধি পাবে।” বক্তারা স্থানীয় চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফলের উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান জানান।
মেলায় মোট ১২টি স্টল অংশগ্রহণ করে। স্টলগুলোতে বারোমাসি বিভিন্ন প্রজাতির ফলসহ স্থানীয় জাতের ফলের প্রদর্শনী ও বৈজ্ঞানিক সংরক্ষণ পদ্ধতি তুলে ধরা হয়। দর্শনার্থী ও কৃষকরা স্টলগুলো ঘুরে দেখেন এবং কৃষি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ফলের জাত ও পরিচর্যা সম্পর্কে পরামর্শ গ্রহণ করেন।
স্থানীয় পর্যায়ে ফল চাষে আগ্রহী উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এই উদ্যোগকে স্থানীয় সুধী সমাজ স্বাগত জানিয়েছেন। মেলাটি স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন