গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রাণনাশের হুমকি, হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন এক ভুক্তভোগী। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, হামলার পর থেকে তারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা প্রদীপ কুমার সরকার অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে টাকা লেনদেন নিয়ে একই এলাকার শয়ন চন্দ্র সরকার ও শুভ চন্দ্র সরকারের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গত ৬ জুন দুপুরে অভিযুক্তরা তার বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
প্রদীপ কুমার সরকারের দাবি, ঘটনার পর তিনি সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন ৭ জুন রাতে অভিযুক্তরা কয়েকটি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা পলাশ চন্দ্র সরকারের বাড়ির গেট ও টিনের বেড়া, তপন কুমার সরকারের বাড়ির গেট ও টিনের বেড়া ভাঙচুর করে। এছাড়া স্থানীয় দুর্গা মন্দিরের কয়েকটি চেয়ার এবং যুগল চন্দ্র সরকার ও উত্তম কুমার সরকার বাবলুর দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, এসব ঘটনায় প্রায় চার লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
প্রদীপ কুমার সরকার আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর, হত্যা, লাশ গুম, বাড়িতে আগুন দেওয়া এবং এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়েছে। হামলার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে রয়েছেন। নিরাপত্তাহীনতার কারণে তারা বাড়ির বাইরে বের হতেও ভয় পাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। তবে ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রাণনাশের হুমকি, হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন এক ভুক্তভোগী। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, হামলার পর থেকে তারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা প্রদীপ কুমার সরকার অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে টাকা লেনদেন নিয়ে একই এলাকার শয়ন চন্দ্র সরকার ও শুভ চন্দ্র সরকারের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গত ৬ জুন দুপুরে অভিযুক্তরা তার বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
প্রদীপ কুমার সরকারের দাবি, ঘটনার পর তিনি সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন ৭ জুন রাতে অভিযুক্তরা কয়েকটি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা পলাশ চন্দ্র সরকারের বাড়ির গেট ও টিনের বেড়া, তপন কুমার সরকারের বাড়ির গেট ও টিনের বেড়া ভাঙচুর করে। এছাড়া স্থানীয় দুর্গা মন্দিরের কয়েকটি চেয়ার এবং যুগল চন্দ্র সরকার ও উত্তম কুমার সরকার বাবলুর দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, এসব ঘটনায় প্রায় চার লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
প্রদীপ কুমার সরকার আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর, হত্যা, লাশ গুম, বাড়িতে আগুন দেওয়া এবং এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়েছে। হামলার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে রয়েছেন। নিরাপত্তাহীনতার কারণে তারা বাড়ির বাইরে বের হতেও ভয় পাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। তবে ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন