দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং  বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ  কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

খানসামায় জলাবদ্ধতায় নাকাল ৩০ পরিবার, সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় রাস্তা-উঠান

খানসামায় জলাবদ্ধতায় নাকাল ৩০ পরিবার, সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় রাস্তা-উঠান

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আংগারপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ানগড় গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ডের মাহাদই পাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৩০টি পরিবার। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট ও বসতবাড়ির উঠান পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে এমন দুর্ভোগ চললেও এখনো মেলেনি স্থায়ী সমাধান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাড়ার অধিকাংশ বাড়ির উঠানে হাঁটুসমান পানি জমে রয়েছে। বাড়ির চারপাশ জলাবদ্ধ হয়ে পড়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্কুলগামী শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও কর্মজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। খেটে খাওয়া মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মেও নেমে এসেছে স্থবিরতা।

স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো এলাকা পানিতে ডুবে যায়। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘসময় ধরে জলাবদ্ধতা স্থায়ী হয়। এতে এলাকাটি ধীরে ধীরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিণত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাইজার রহমান বলেন, “একটু বৃষ্টি হলেই পুরো পাড়া পানিতে তলিয়ে যায়। রাস্তাঘাট ও বাড়ির উঠানে পানি জমে থাকায় চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়। বছরের পর বছর ধরে এই দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নিলে আমরা স্বস্তি পেতাম।”

আরেক বাসিন্দা হামিদুল ইসলাম বলেন, “বর্ষা মৌসুম এলেই আতঙ্ক শুরু হয়। সামান্য বৃষ্টিতেই উঠানে পানি উঠে যায়, চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে থাকতে হয়। দীর্ঘদিনেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।”

স্থানীয় বাসিন্দা রাশেদুল ও ফরহাদ বলেন, “মাত্র ৬০ থেকে ৭০ মিটার ড্রেনেজ বা পাইপের ব্যবস্থা করা গেলেই সমস্যার অনেকটাই সমাধান সম্ভব। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।”

গৃহবধূ নার্গিস, মঞ্জু আরা ও খতেজা বেগম বলেন, “উঠানে পানি জমে থাকায় রান্নাবান্না করতেও সমস্যা হচ্ছে। জ্বালানি ভিজে গেছে, গরু-ছাগল রাখারও জায়গা নেই। সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরে পানি উঠে যায়। বর্ষা এলেই আতঙ্কে থাকতে হয়।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ না হলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা তাদের। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হোক।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য তমিজ উদ্দিন বলেন, “এর আগেও এলাকাবাসী বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি পরিষদে আলোচনা করেছি। আবারও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে।”

খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান সরকার বলেন, “ছাতিয়ানগড় এলাকার জলাবদ্ধতার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্থানীয়দের দুর্ভোগ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। খুব দ্রুত সেখানে স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশা করছি।”

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


খানসামায় জলাবদ্ধতায় নাকাল ৩০ পরিবার, সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় রাস্তা-উঠান

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image


দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আংগারপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ানগড় গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ডের মাহাদই পাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৩০টি পরিবার। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট ও বসতবাড়ির উঠান পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে এমন দুর্ভোগ চললেও এখনো মেলেনি স্থায়ী সমাধান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাড়ার অধিকাংশ বাড়ির উঠানে হাঁটুসমান পানি জমে রয়েছে। বাড়ির চারপাশ জলাবদ্ধ হয়ে পড়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্কুলগামী শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও কর্মজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। খেটে খাওয়া মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মেও নেমে এসেছে স্থবিরতা।


স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো এলাকা পানিতে ডুবে যায়। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘসময় ধরে জলাবদ্ধতা স্থায়ী হয়। এতে এলাকাটি ধীরে ধীরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিণত হচ্ছে।


স্থানীয় বাসিন্দা মাইজার রহমান বলেন, “একটু বৃষ্টি হলেই পুরো পাড়া পানিতে তলিয়ে যায়। রাস্তাঘাট ও বাড়ির উঠানে পানি জমে থাকায় চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়। বছরের পর বছর ধরে এই দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নিলে আমরা স্বস্তি পেতাম।”


আরেক বাসিন্দা হামিদুল ইসলাম বলেন, “বর্ষা মৌসুম এলেই আতঙ্ক শুরু হয়। সামান্য বৃষ্টিতেই উঠানে পানি উঠে যায়, চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে থাকতে হয়। দীর্ঘদিনেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।”


স্থানীয় বাসিন্দা রাশেদুল ও ফরহাদ বলেন, “মাত্র ৬০ থেকে ৭০ মিটার ড্রেনেজ বা পাইপের ব্যবস্থা করা গেলেই সমস্যার অনেকটাই সমাধান সম্ভব। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।”


গৃহবধূ নার্গিস, মঞ্জু আরা ও খতেজা বেগম বলেন, “উঠানে পানি জমে থাকায় রান্নাবান্না করতেও সমস্যা হচ্ছে। জ্বালানি ভিজে গেছে, গরু-ছাগল রাখারও জায়গা নেই। সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরে পানি উঠে যায়। বর্ষা এলেই আতঙ্কে থাকতে হয়।”


স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ না হলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা তাদের। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হোক।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য তমিজ উদ্দিন বলেন, “এর আগেও এলাকাবাসী বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি পরিষদে আলোচনা করেছি। আবারও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে।”


খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান সরকার বলেন, “ছাতিয়ানগড় এলাকার জলাবদ্ধতার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্থানীয়দের দুর্ভোগ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। খুব দ্রুত সেখানে স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশা করছি।”


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ