মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রাজানগর ২ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিনা অনুমতিতে সরকারি গাছ কর্তনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা ও প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সরকারি গাছ কর্তন করায় তাঁর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ। গত রবিবার তাঁর স্বাক্ষরিত জারীকৃত নোটিশে তিন কার্যদিবসের মধ্যে ইউপি সদস্যকে সশরীরে হাজির হয়ে সরকারি গাছ কর্তনের অভিযোগের কারণ লিখিতভাবে দর্শানোর জন্য বলা হয়। এছাড়া সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে বলা হয়।
উল্লেখ্য, গত বুধবার উপজেলার রাজানগর সৈয়দপুর গ্রামে সড়কের পাশের একটি বড় কড়ই গাছ কর্তন করেন ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল একই এলাকা থেকে আরও দুটি সরকারি গাছ অনুমতি ছাড়া কর্তন করেন অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম। তবে ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে এলাকায় মাটি কাটা, সরকারি জমি দখল ও সালিশ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ও চাঁদাবাজির মামলাও থাকলেও তাঁর পক্ষে স্থানীয় এলাকাবাসীর সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করেন অনেকে। তবে ধারাবাহিক এসব ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি গাছ রাষ্ট্রীয় সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ কাটা বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছাড়াও ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হওয়ার বিধান রয়েছে।
শিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ বলেন, আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। সরকারি নিয়মনীতি না মেনে এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রাজানগর ২ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিনা অনুমতিতে সরকারি গাছ কর্তনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা ও প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সরকারি গাছ কর্তন করায় তাঁর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ। গত রবিবার তাঁর স্বাক্ষরিত জারীকৃত নোটিশে তিন কার্যদিবসের মধ্যে ইউপি সদস্যকে সশরীরে হাজির হয়ে সরকারি গাছ কর্তনের অভিযোগের কারণ লিখিতভাবে দর্শানোর জন্য বলা হয়। এছাড়া সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে বলা হয়।
উল্লেখ্য, গত বুধবার উপজেলার রাজানগর সৈয়দপুর গ্রামে সড়কের পাশের একটি বড় কড়ই গাছ কর্তন করেন ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল একই এলাকা থেকে আরও দুটি সরকারি গাছ অনুমতি ছাড়া কর্তন করেন অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম। তবে ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে এলাকায় মাটি কাটা, সরকারি জমি দখল ও সালিশ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ও চাঁদাবাজির মামলাও থাকলেও তাঁর পক্ষে স্থানীয় এলাকাবাসীর সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করেন অনেকে। তবে ধারাবাহিক এসব ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি গাছ রাষ্ট্রীয় সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ কাটা বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছাড়াও ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হওয়ার বিধান রয়েছে।
শিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ বলেন, আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। সরকারি নিয়মনীতি না মেনে এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন