টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানায় দায়িত্ব পালনকালে কনস্টেবল আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ ওঠেছে। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় কর্মরত রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কালিহাতী থানার ওসিদের বডিগার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আনিসুর রহমান আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সাম্প্রতিক সময়ে কালিহাতী থানায় তার বিরুদ্ধে নারী কস্টেবলকে নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠে। পরে সেটা তদন্তে গেলে কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই বিষয়টি বর্তমানে প্রকাশ করা কি ঠিক? নথিতে আরও বলা হয়, তদন্তে সংগৃহীত কাগজপত্রের মধ্যে অভিযোগপত্র, সংশ্লিষ্ট জবানবন্দি এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। তবে এসব উপাত্ত থেকেও অভিযোগের পক্ষে কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তদন্ত প্রতিবেদনটি টাঙ্গাইল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) কর্তৃক স্বাক্ষরিত বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে কনস্টেবল আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে ছড়ানো অভিযোগগুলোর অসারতা এবং মিথ্যা ভিত্তহীনস্পষ্ট হয়েছে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালানো হয়।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে যথাযথ তদন্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় এবং প্রমাণের ভিত্তিতেই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য নয়, বরং সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। তাই এ ধরনের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা জরুরি।
এ বিষয়ে কনস্টেবল আনিসুর রহমান বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদটি আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য প্রচার করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং যথাযথ প্রতিকার কামনা করছি।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানায় দায়িত্ব পালনকালে কনস্টেবল আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ ওঠেছে। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় কর্মরত রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কালিহাতী থানার ওসিদের বডিগার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আনিসুর রহমান আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সাম্প্রতিক সময়ে কালিহাতী থানায় তার বিরুদ্ধে নারী কস্টেবলকে নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠে। পরে সেটা তদন্তে গেলে কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই বিষয়টি বর্তমানে প্রকাশ করা কি ঠিক? নথিতে আরও বলা হয়, তদন্তে সংগৃহীত কাগজপত্রের মধ্যে অভিযোগপত্র, সংশ্লিষ্ট জবানবন্দি এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। তবে এসব উপাত্ত থেকেও অভিযোগের পক্ষে কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তদন্ত প্রতিবেদনটি টাঙ্গাইল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) কর্তৃক স্বাক্ষরিত বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে কনস্টেবল আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে ছড়ানো অভিযোগগুলোর অসারতা এবং মিথ্যা ভিত্তহীনস্পষ্ট হয়েছে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালানো হয়।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে যথাযথ তদন্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় এবং প্রমাণের ভিত্তিতেই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য নয়, বরং সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। তাই এ ধরনের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা জরুরি।
এ বিষয়ে কনস্টেবল আনিসুর রহমান বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদটি আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য প্রচার করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং যথাযথ প্রতিকার কামনা করছি।

আপনার মতামত লিখুন