সুনামগঞ্জ পৌর শহরে এক লন্ডন প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। গত ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে সংঘটিত এই চুরির ঘটনায় প্রায় অর্ধ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ নগদ টাকা লুট করা হয়েছিল। পুলিশি অভিযানে এই চক্রের মূল হোতাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত ১২ মার্চ একজন লন্ডন প্রবাসী (রেমিটেন্স যোদ্ধা) সপরিবারে নিজ বাড়িতে আসার পরপরই চোর চক্রটি পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সুযোগ বুঝে হামলা চালায়। তারা বাড়ির নিরাপত্তা বলয় ভেঙে প্রায় ৫০/৫৫ লক্ষ টাকা সমমূল্যের স্বর্ণ, ডলার ও নগদ অর্থ নিয়ে চম্পট দেয়। ঘটনাটি শহরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ পিপিএম-এর নির্দেশনায় মামলার তদন্তভার অর্পণ করা হয় এসআই জহির উদ্দিনের ওপর। তদন্তের শুরুতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাতক চাকমা এবং ওসি রতন শেখ পিপিএম-এর প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে মাঠে নামে পুলিশের বিশেষ দল। নিরলস প্রচেষ্টায় চোর চক্রের মূল সদস্য জাবেদ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। জাবেদের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চক্রের বাকি সদস্যদের এবং লুন্ঠিত মালামাল ক্রয়কারী স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পুলিশি অভিযানে গ্রেফতারকৃত পাঁচজন হলেন,১. মোঃ ময়না মিয়া (৩২): সাং- উত্তর আরফিননগর পশ্চিম বাজার,
২ বাচ্চু মিয়া (৪৮) সাং- নতুন হাছননগর,
৩.বিষ্ণু বণিক (৬৩) স্বর্ণ ব্যবসায়ী, সাং- রায়পাড়া,
৪.জাবেদ হোসেন (৩৪)
সাং- পূর্ব তেঘরিয়া,
৫.লিজা বেগম (২৬)
আসামি ময়না মিয়ার স্ত্রী,
সাং- উত্তর আরফিননগর,
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত সকল আসামিকে আজ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে আরও কেউ জড়িত আছে কি না এবং লুন্ঠিত বাকি মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ পিপিএম বলেন, প্রবাসীর বাড়িতে চুরির ঘটনাটি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছিলাম। তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং টিমওয়ার্কের কারণে দ্রুত আসামিদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
সুনামগঞ্জ পৌর শহরে এক লন্ডন প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। গত ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে সংঘটিত এই চুরির ঘটনায় প্রায় অর্ধ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ নগদ টাকা লুট করা হয়েছিল। পুলিশি অভিযানে এই চক্রের মূল হোতাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত ১২ মার্চ একজন লন্ডন প্রবাসী (রেমিটেন্স যোদ্ধা) সপরিবারে নিজ বাড়িতে আসার পরপরই চোর চক্রটি পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সুযোগ বুঝে হামলা চালায়। তারা বাড়ির নিরাপত্তা বলয় ভেঙে প্রায় ৫০/৫৫ লক্ষ টাকা সমমূল্যের স্বর্ণ, ডলার ও নগদ অর্থ নিয়ে চম্পট দেয়। ঘটনাটি শহরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ পিপিএম-এর নির্দেশনায় মামলার তদন্তভার অর্পণ করা হয় এসআই জহির উদ্দিনের ওপর। তদন্তের শুরুতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাতক চাকমা এবং ওসি রতন শেখ পিপিএম-এর প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে মাঠে নামে পুলিশের বিশেষ দল। নিরলস প্রচেষ্টায় চোর চক্রের মূল সদস্য জাবেদ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। জাবেদের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চক্রের বাকি সদস্যদের এবং লুন্ঠিত মালামাল ক্রয়কারী স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পুলিশি অভিযানে গ্রেফতারকৃত পাঁচজন হলেন,১. মোঃ ময়না মিয়া (৩২): সাং- উত্তর আরফিননগর পশ্চিম বাজার,
২ বাচ্চু মিয়া (৪৮) সাং- নতুন হাছননগর,
৩.বিষ্ণু বণিক (৬৩) স্বর্ণ ব্যবসায়ী, সাং- রায়পাড়া,
৪.জাবেদ হোসেন (৩৪)
সাং- পূর্ব তেঘরিয়া,
৫.লিজা বেগম (২৬)
আসামি ময়না মিয়ার স্ত্রী,
সাং- উত্তর আরফিননগর,
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত সকল আসামিকে আজ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে আরও কেউ জড়িত আছে কি না এবং লুন্ঠিত বাকি মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ পিপিএম বলেন, প্রবাসীর বাড়িতে চুরির ঘটনাটি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছিলাম। তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং টিমওয়ার্কের কারণে দ্রুত আসামিদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন