নওগাঁ শহরের একটি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিক্রিতে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা এবং সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে শহরের ‘সুমন ফিলিং স্টেশন’-এ এ ঘটনা ঘটে।
সকাল আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে জাতীয় দৈনিক গণকণ্ঠ-এর জেলা প্রতিনিধি মির্জা তুষার আহমেদসহ কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে তেল বিক্রিতে বৈষম্য করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছাড়াই গ্রাহকদের মধ্যে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১২০০ টাকা পর্যন্ত তেল দেওয়া হচ্ছিল। এতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হন।
এ সময় সাংবাদিকরা অনিয়মের ভিডিও ধারণ করতে গেলে পাম্প কর্তৃপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে মাইকিং করে ঘোষণা দেওয়া হয়—সাংবাদিকদের উপস্থিতির কারণে তেল বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। এতে উপস্থিত গ্রাহকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মির্জা তুষার আহমেদ অভিযোগ করেন, ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং পাম্প এলাকা থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, পূর্বের অনিয়মের তথ্য তার কাছে থাকায় আক্রোশ থেকেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মাহমুদ বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁ শহরের একটি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিক্রিতে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা এবং সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে শহরের ‘সুমন ফিলিং স্টেশন’-এ এ ঘটনা ঘটে।
সকাল আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে জাতীয় দৈনিক গণকণ্ঠ-এর জেলা প্রতিনিধি মির্জা তুষার আহমেদসহ কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে তেল বিক্রিতে বৈষম্য করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছাড়াই গ্রাহকদের মধ্যে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১২০০ টাকা পর্যন্ত তেল দেওয়া হচ্ছিল। এতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হন।
এ সময় সাংবাদিকরা অনিয়মের ভিডিও ধারণ করতে গেলে পাম্প কর্তৃপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে মাইকিং করে ঘোষণা দেওয়া হয়—সাংবাদিকদের উপস্থিতির কারণে তেল বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। এতে উপস্থিত গ্রাহকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মির্জা তুষার আহমেদ অভিযোগ করেন, ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং পাম্প এলাকা থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, পূর্বের অনিয়মের তথ্য তার কাছে থাকায় আক্রোশ থেকেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মাহমুদ বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন