মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ভূমিদস্যু শান্ত খান নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণদী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত শান্ত অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শান্ত খান ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর দায়ের হওয়া সিরাজদিখান থানার মামলা নম্বর ১৭ এর এজাহারভুক্ত আসামী। সে রামকৃষ্ণদী গ্রামের বজলুল রহমানের ছেলে। এর আগে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিরাজদিখান থানাধীন কংশপুরা অটোস্ট্যান্ড এলাকায় খলিল মাহমুদ গ্রুপ ও আহসানউল্লাহ দেওয়ান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ওই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় একশো থেকে দেড়শো জন লোক দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ব্যবহৃত অস্ত্রের মধ্যে ছিল টেটা, বল্লম, লাঠিসোটা, লোহার হাতুড়ি ও ককটেল। এ ঘটনায় সিরাজদিখান থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ আরো জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা, সরকারি কাজে বাধা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করা হয়েছে। দায়েরকৃত মামলার পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সিরাজদিখান থানার ওসি এম এ হান্নান জানান, এজাহারভুক্ত আসামি শান্ত খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পুলিশ প্রহরায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ভূমিদস্যু শান্ত খান নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণদী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত শান্ত অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শান্ত খান ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর দায়ের হওয়া সিরাজদিখান থানার মামলা নম্বর ১৭ এর এজাহারভুক্ত আসামী। সে রামকৃষ্ণদী গ্রামের বজলুল রহমানের ছেলে। এর আগে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিরাজদিখান থানাধীন কংশপুরা অটোস্ট্যান্ড এলাকায় খলিল মাহমুদ গ্রুপ ও আহসানউল্লাহ দেওয়ান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ওই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় একশো থেকে দেড়শো জন লোক দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ব্যবহৃত অস্ত্রের মধ্যে ছিল টেটা, বল্লম, লাঠিসোটা, লোহার হাতুড়ি ও ককটেল। এ ঘটনায় সিরাজদিখান থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ আরো জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা, সরকারি কাজে বাধা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করা হয়েছে। দায়েরকৃত মামলার পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সিরাজদিখান থানার ওসি এম এ হান্নান জানান, এজাহারভুক্ত আসামি শান্ত খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পুলিশ প্রহরায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন