প্রকৃতির অপার রহস্য আর ক্ষুদ্র জীবের জীবনসংগ্রামের এক অনন্য দৃশ্যপট উন্মোচিত হলো লালমনিরহাটের মিশনমোড় চত্বরে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত ১০টার দিকে শহরের মিশনমোড় সংলগ্ন 'রাতুল ফল ভান্ডারে' একটি ক্ষুদ্র মাকড়সার জাল বোনা ও শিকার ধরার দৃশ্য পথচারীদের অবাক করে দেয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, দোকানের এক কোণে একটি মাকড়সা অত্যন্ত নিপুণভাবে তার জাল বুনছে। এই নান্দনিক দৃশ্যটি প্রথম নজরে আসে জাতীয় দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি, কবি ও শিল্পী ফারুক আহমেদ সূর্যের। তার সাথে এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাতুল ও রায়হানসহ আরও বেশ কয়েকজন পথচারী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় ১৫ মিনিট ধরে মাকড়সাটি তার সুক্ষ্ম জাল তৈরি করে। জাল বোনা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাতে কয়েকটি ক্ষুদ্র পোকা আটকে পড়ে। এরপর মাকড়সাটি অত্যন্ত ধীরলয়ে জালের মাঝখান থেকে এগিয়ে গিয়ে পোকাগুলো শিকার করে তার ক্ষুধা নিবারণ করে।
প্রকৃতির এই অমোঘ নিয়ম এবং বেঁচে থাকার লড়াই উপস্থিত সকলকে বিমোহিত করে।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, শিকার শেষে জাল বোনার প্রায় ২০ মিনিট পর মাকড়সাটি নিজেই তার বোনা জালটি গুটিয়ে (শরীরে গ্রহণ করে) দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। এক নিমিষেই জালের চিহ্ন মুছে ফেলে মাকড়সাটির অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার দৃশ্যটি উপস্থিত দর্শকদের দারুণভাবে কৌতুহলী করে তোলে
এ বিষয়ে ফারুক আহমেদ সূর্য বলেন, "মাকড়সা সৃষ্টিকর্তার এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। তার এই শিল্পকর্ম এবং জীবনধারণের পদ্ধতি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে প্রকৃতির মাহাত্ম্য বুঝিয়ে দেয়। এটি ক্ষুদ্র এক 'মাখলুকাত' বা সৃষ্টি হলেও এর নিজস্ব জগত রয়েছে। তাই এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় আমাদের কোনো বাধা দেওয়া উচিত নয়।"
উপস্থিত অন্যান্য পথচারীরাও মাকড়সাটির এই শৈল্পিক কর্মযজ্ঞ দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন এবং প্রকৃতির এই ক্ষুদ্র কারিগরকে কোনো রকম বিরক্ত না করেই সেখান থেকে প্রস্থান করেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকৃতির অপার রহস্য আর ক্ষুদ্র জীবের জীবনসংগ্রামের এক অনন্য দৃশ্যপট উন্মোচিত হলো লালমনিরহাটের মিশনমোড় চত্বরে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত ১০টার দিকে শহরের মিশনমোড় সংলগ্ন 'রাতুল ফল ভান্ডারে' একটি ক্ষুদ্র মাকড়সার জাল বোনা ও শিকার ধরার দৃশ্য পথচারীদের অবাক করে দেয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, দোকানের এক কোণে একটি মাকড়সা অত্যন্ত নিপুণভাবে তার জাল বুনছে। এই নান্দনিক দৃশ্যটি প্রথম নজরে আসে জাতীয় দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি, কবি ও শিল্পী ফারুক আহমেদ সূর্যের। তার সাথে এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাতুল ও রায়হানসহ আরও বেশ কয়েকজন পথচারী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় ১৫ মিনিট ধরে মাকড়সাটি তার সুক্ষ্ম জাল তৈরি করে। জাল বোনা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাতে কয়েকটি ক্ষুদ্র পোকা আটকে পড়ে। এরপর মাকড়সাটি অত্যন্ত ধীরলয়ে জালের মাঝখান থেকে এগিয়ে গিয়ে পোকাগুলো শিকার করে তার ক্ষুধা নিবারণ করে।
প্রকৃতির এই অমোঘ নিয়ম এবং বেঁচে থাকার লড়াই উপস্থিত সকলকে বিমোহিত করে।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, শিকার শেষে জাল বোনার প্রায় ২০ মিনিট পর মাকড়সাটি নিজেই তার বোনা জালটি গুটিয়ে (শরীরে গ্রহণ করে) দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। এক নিমিষেই জালের চিহ্ন মুছে ফেলে মাকড়সাটির অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার দৃশ্যটি উপস্থিত দর্শকদের দারুণভাবে কৌতুহলী করে তোলে
এ বিষয়ে ফারুক আহমেদ সূর্য বলেন, "মাকড়সা সৃষ্টিকর্তার এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। তার এই শিল্পকর্ম এবং জীবনধারণের পদ্ধতি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে প্রকৃতির মাহাত্ম্য বুঝিয়ে দেয়। এটি ক্ষুদ্র এক 'মাখলুকাত' বা সৃষ্টি হলেও এর নিজস্ব জগত রয়েছে। তাই এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় আমাদের কোনো বাধা দেওয়া উচিত নয়।"
উপস্থিত অন্যান্য পথচারীরাও মাকড়সাটির এই শৈল্পিক কর্মযজ্ঞ দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন এবং প্রকৃতির এই ক্ষুদ্র কারিগরকে কোনো রকম বিরক্ত না করেই সেখান থেকে প্রস্থান করেন।

আপনার মতামত লিখুন