দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

নওগাঁয় নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা, সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম: দেড় মাস পর ৪ ঘাতক গ্রেপ্তার

নওগাঁয় নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা, সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম: দেড় মাস পর ৪ ঘাতক গ্রেপ্তার

নওগাঁয় মিতু বানু নামের এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম করার চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে দীর্ঘ দেড় মাস পর এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— জাহান আলী, সামিদুল, সুজ্জাত ও রেন্টু ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ২৬ জানুয়ারি নওগাঁ সদর উপজেলার বিল ভবানীপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে মিতু বানুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

তদন্তে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জানা যায়, মাত্র ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে মিতু বানুকে নওগাঁ শহর থেকে ওই গ্রামে নিয়ে আসা হয়েছিল। সেখানে অসামাজিক কাজে বাধা দেওয়া এবং টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে আসামিরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে রেন্টু ইসলামের পরামর্শে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মরদেহটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয় তারা।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “এটি একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড ছিল। তবে আমাদের তদন্ত দল তথ্যপ্রযুক্তি ও এআই ব্যবহার করে আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।”

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সামিদুল ইতোমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পুলিশের দাবি, মিতুকে হত্যার পরিকল্পনা থেকে শুরু করে মরদেহ গুম করা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে এই চারজনই সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। দেড় মাস আত্মগোপনে থাকলেও শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে তারা। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


নওগাঁয় নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা, সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম: দেড় মাস পর ৪ ঘাতক গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬

featured Image


নওগাঁয় মিতু বানু নামের এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম করার চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে দীর্ঘ দেড় মাস পর এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— জাহান আলী, সামিদুল, সুজ্জাত ও রেন্টু ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ২৬ জানুয়ারি নওগাঁ সদর উপজেলার বিল ভবানীপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে মিতু বানুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

তদন্তে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জানা যায়, মাত্র ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে মিতু বানুকে নওগাঁ শহর থেকে ওই গ্রামে নিয়ে আসা হয়েছিল। সেখানে অসামাজিক কাজে বাধা দেওয়া এবং টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে আসামিরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে রেন্টু ইসলামের পরামর্শে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মরদেহটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয় তারা।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “এটি একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড ছিল। তবে আমাদের তদন্ত দল তথ্যপ্রযুক্তি ও এআই ব্যবহার করে আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।”

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সামিদুল ইতোমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পুলিশের দাবি, মিতুকে হত্যার পরিকল্পনা থেকে শুরু করে মরদেহ গুম করা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে এই চারজনই সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। দেড় মাস আত্মগোপনে থাকলেও শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে তারা। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ