ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা-র বেজিডাঙ্গা গ্রাম এলাকায় ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রকে নদীর পাড়ে নিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে গ্রাম পুলিশ ফরহাদ এর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি শনিবার (৮ মার্চ ২০২৬) বিকাল তিনটার দিকে বাড়াশিয়া নদী তীরে ঘটে।
ভুক্তভোগী শিশু ইসলাম মোল্লা (১১) বেজিডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। তার পিতা ইমরুল মোল্লা দীর্ঘ ২২ বছর ধরে সৌদি আরবে প্রবাসী হিসেবে কর্মরত।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের, গ্রাম পুলিশ ফরহাদ মোল্লা (২৭), পিতা ইলিয়াস মোল্লা, কয়েকদিন আগে শিশুটির মা আরবি বেগম এর কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শনিবার বিকেলে ইসলাম মোল্লাকে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে বাড়াশিয়া নদীর তীরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে মারধর ও হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
গ্রাম পুলিশ ফরহাদ প্রথমে শিশুটির হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। একপর্যায়ে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে সেখানে ফেলে রাখা হয়।
এদিকে ছেলেকে না পেয়ে তার মা আরবি বেগম খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে নদীর পাড়ে গিয়ে তিনি ছেলেকে মারধরের শিকার হতে দেখেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এলে গ্রাম পুলিশ ফরহাদ পালিয়ে যায়।
পরিবারের অভিযোগ, পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রাম পুলিশ ফরহাদ শিশুটির মা আরবি বেগমকেও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে অজ্ঞান অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
গ্রাম পুলিশ ফরহাদ এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা-র বেজিডাঙ্গা গ্রাম এলাকায় ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রকে নদীর পাড়ে নিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে গ্রাম পুলিশ ফরহাদ এর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি শনিবার (৮ মার্চ ২০২৬) বিকাল তিনটার দিকে বাড়াশিয়া নদী তীরে ঘটে।
ভুক্তভোগী শিশু ইসলাম মোল্লা (১১) বেজিডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। তার পিতা ইমরুল মোল্লা দীর্ঘ ২২ বছর ধরে সৌদি আরবে প্রবাসী হিসেবে কর্মরত।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের, গ্রাম পুলিশ ফরহাদ মোল্লা (২৭), পিতা ইলিয়াস মোল্লা, কয়েকদিন আগে শিশুটির মা আরবি বেগম এর কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শনিবার বিকেলে ইসলাম মোল্লাকে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে বাড়াশিয়া নদীর তীরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে মারধর ও হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
গ্রাম পুলিশ ফরহাদ প্রথমে শিশুটির হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। একপর্যায়ে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে সেখানে ফেলে রাখা হয়।
এদিকে ছেলেকে না পেয়ে তার মা আরবি বেগম খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে নদীর পাড়ে গিয়ে তিনি ছেলেকে মারধরের শিকার হতে দেখেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এলে গ্রাম পুলিশ ফরহাদ পালিয়ে যায়।
পরিবারের অভিযোগ, পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রাম পুলিশ ফরহাদ শিশুটির মা আরবি বেগমকেও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে অজ্ঞান অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
গ্রাম পুলিশ ফরহাদ এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন