যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন বাজারে ভেজাল খাদ্যদ্রব্য বিক্রির অভিযোগে একটি ডেয়ারি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার নাভারন বাজারে অবস্থিত নাভারন ডেয়ারি নামক প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রোপাইটর মোহাম্মদ আতিউর রহমানের দোকানে বিক্রি হওয়া দই ও ঘি পরীক্ষা করে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান এবং দইয়ের ওপর কৃত্রিম রং মেশানোর প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া বিক্রিত ঘির কোনো বিএসটিআই অনুমোদন না থাকায় তা ভোক্তা অধিকার আইনের পরিপন্থী বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
অভিযানে যশোর থেকে আসা বিশেষ টাস্কফোর্স টিম, পুলিশ সদস্য এবং ক্যাপ (কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট এসময় প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা নগদ জরিমানা করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ভেজাল খাদ্যদ্রব্য বিক্রি না করার জন্য কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করেন।
এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। একই সঙ্গে নাভারন বাজারের ব্যবসায়ীদের নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যপণ্য বিক্রির জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন বাজারে ভেজাল খাদ্যদ্রব্য বিক্রির অভিযোগে একটি ডেয়ারি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার নাভারন বাজারে অবস্থিত নাভারন ডেয়ারি নামক প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রোপাইটর মোহাম্মদ আতিউর রহমানের দোকানে বিক্রি হওয়া দই ও ঘি পরীক্ষা করে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান এবং দইয়ের ওপর কৃত্রিম রং মেশানোর প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া বিক্রিত ঘির কোনো বিএসটিআই অনুমোদন না থাকায় তা ভোক্তা অধিকার আইনের পরিপন্থী বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
অভিযানে যশোর থেকে আসা বিশেষ টাস্কফোর্স টিম, পুলিশ সদস্য এবং ক্যাপ (কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট এসময় প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা নগদ জরিমানা করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ভেজাল খাদ্যদ্রব্য বিক্রি না করার জন্য কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করেন।
এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। একই সঙ্গে নাভারন বাজারের ব্যবসায়ীদের নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যপণ্য বিক্রির জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন