ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বারাশিয়া নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের তৎপরতায় শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি ও একটি রশি উদ্ধার করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম নার্গিস (১৬)। তিনি ফলিয়া গ্রামের বাসিন্দা নূর নবী ভূঁইয়ার মেয়ে এবং পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়-এর ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২ তারিখ) আনুমানিক বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে নার্গিস সহস্রাইল বাজার থেকে প্রাইভেট পড়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ফলিয়া বাজার পার হয়ে বাড়ির সামনের বেড়িবাঁধের রাস্তায় পৌঁছালে এক অজ্ঞাত যুবক তাকে জাপটে ধরে হাত বেঁধে ফেলে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে বেড়ির নিচে নামিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার উদ্দেশ্যেই ওই যুবক এমন চেষ্টা চালায়।
এ সময় নার্গিসের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত যুবক দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী হাত বাঁধা অবস্থায় শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি ও একটি রশি পাওয়া যায়।
নার্গিস জানান, তিনি অভিযুক্ত যুবককে চিনতে পারেননি এবং তার সঙ্গে পূর্বপরিচয়ও নেই।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থীর মায়ের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি বলে জানান।
শিক্ষার্থীর মামা মিলন বলেন, “ফলিয়া গ্রামের আবুল কাসেদ মণ্ডল (সাবেক মেম্বার) ও মাওলানা ওহিদুল সাহেবের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে। কাসেদ মণ্ডল ব্যক্তিগত কাজে খুলনায় থাকায় আজ এলাকায় ফিরলে আমরা পারিবারিকভাবে বসে সিদ্ধান্ত নেব—আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না। মৌখিকভাবে থানাকে জানানো হয়েছে, তবে এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।”
এলাকাবাসী জানান, “আমরা সময়মতো না পৌঁছালে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। এটি স্পষ্ট হত্যাচেষ্টা। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বারাশিয়া নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের তৎপরতায় শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি ও একটি রশি উদ্ধার করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম নার্গিস (১৬)। তিনি ফলিয়া গ্রামের বাসিন্দা নূর নবী ভূঁইয়ার মেয়ে এবং পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়-এর ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২ তারিখ) আনুমানিক বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে নার্গিস সহস্রাইল বাজার থেকে প্রাইভেট পড়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ফলিয়া বাজার পার হয়ে বাড়ির সামনের বেড়িবাঁধের রাস্তায় পৌঁছালে এক অজ্ঞাত যুবক তাকে জাপটে ধরে হাত বেঁধে ফেলে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে বেড়ির নিচে নামিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার উদ্দেশ্যেই ওই যুবক এমন চেষ্টা চালায়।
এ সময় নার্গিসের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত যুবক দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী হাত বাঁধা অবস্থায় শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি ও একটি রশি পাওয়া যায়।
নার্গিস জানান, তিনি অভিযুক্ত যুবককে চিনতে পারেননি এবং তার সঙ্গে পূর্বপরিচয়ও নেই।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থীর মায়ের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি বলে জানান।
শিক্ষার্থীর মামা মিলন বলেন, “ফলিয়া গ্রামের আবুল কাসেদ মণ্ডল (সাবেক মেম্বার) ও মাওলানা ওহিদুল সাহেবের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে। কাসেদ মণ্ডল ব্যক্তিগত কাজে খুলনায় থাকায় আজ এলাকায় ফিরলে আমরা পারিবারিকভাবে বসে সিদ্ধান্ত নেব—আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না। মৌখিকভাবে থানাকে জানানো হয়েছে, তবে এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।”
এলাকাবাসী জানান, “আমরা সময়মতো না পৌঁছালে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। এটি স্পষ্ট হত্যাচেষ্টা। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন