লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ছোট ভাই আলমগীর হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাই খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে।
বিদ্যুৎ বিলের মাত্র ৫ টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের উত্তর বদরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তারা ওই এলাকার মৃত আছান উল্যাহর ছেলে। আলমগীর দীর্ঘদিন দুবাইতে ছিলেন। সম্প্রতি ছুটিতে দেশে ফেরেন।
জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিলের টাকা পরিশোধ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা মারধরের ঘটনায় রূপ নেয়।
নিহতের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জানান, তুচ্ছ লেনদেন নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যায় এলাকার একটি চায়ের দোকানে গেলে খোরশেদ আলমসহ কয়েকজন মিলে তার স্বামী আলমগীর হোসেনের উপর হামলা করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সাবিনা জানান, তার স্বামীকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় অভিযুক্তরা তাকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে হত্যাকান্ডের ঘটনায় এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানান, মরদেহ মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ছোট ভাই আলমগীর হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাই খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে।
বিদ্যুৎ বিলের মাত্র ৫ টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের উত্তর বদরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তারা ওই এলাকার মৃত আছান উল্যাহর ছেলে। আলমগীর দীর্ঘদিন দুবাইতে ছিলেন। সম্প্রতি ছুটিতে দেশে ফেরেন।
জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিলের টাকা পরিশোধ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা মারধরের ঘটনায় রূপ নেয়।
নিহতের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জানান, তুচ্ছ লেনদেন নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যায় এলাকার একটি চায়ের দোকানে গেলে খোরশেদ আলমসহ কয়েকজন মিলে তার স্বামী আলমগীর হোসেনের উপর হামলা করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সাবিনা জানান, তার স্বামীকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় অভিযুক্তরা তাকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে হত্যাকান্ডের ঘটনায় এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানান, মরদেহ মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন