নওগাঁর পোরশা উপজেলা-তে চলতি মৌসুমে গম চাষে ব্যাপক সাফল্যের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো বীজ বপন এবং পর্যাপ্ত সেচ ব্যবস্থার কারণে মাঠজুড়ে গমের গাছ এখন সবুজ ও স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠেছে। এতে গম চাষীদের মধ্যে বাম্পার ফলনের আশা তৈরি হয়েছে। কৃষি অফিসের তথ্য মতে জানা যায় এ বছর এই উপজেলায় ৪৮২০ হেক্টর জমিতে গমের চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এখানে বারি ৩০-৩২-৩৩ এবং বি ডব্লিউ এম আর ১-২ জাতের গম চাষ হয়েছেএবং ফলনের আশা করা হচ্ছে ৪.২ মেট্রিক টন হেক্টর প্রতি যা খরচ হয়েছে বিঘা প্রতি৬৫০০ থেকে ৭০০০ হাজার । উপজেলার চাওড় ইউনিয়নের দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর গ্রামের মোঃ ইসমাইল হোসেন ১০০ বিঘা ও রনি আহমেদ ৭ বিঘা গমের চাষ করেছেন বলে তারা জানান।
আজ ১৬ই ফেব্রুয়ারি সোমবার এলাকার বিভিন্ন স্থানীয় কৃষকরা জানান, এ বছর রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় গমের শীষ ভালোভাবে দানা ধরেছে। অনেক কৃষক গত বছরের তুলনায় বেশি জমিতে গম চাষ করেছেন, যা ফলনের পরিমাণ বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পোরশা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উন্নত জাতের গমের বীজ ব্যবহার এবং কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ মাঠ পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও সার্বিক সহযোগিতার ফলে উৎপাদন খরচ কমে এসেছে এবং ফলন বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেড়েছে।
চাষীরা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং শেষ মুহূর্তে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর গমের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। এতে একদিকে যেমন কৃষকের আর্থিক সচ্ছলতা বাড়বে, অন্যদিকে দেশের খাদ্য উৎপাদনেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নওগাঁর পোরশা উপজেলা-তে চলতি মৌসুমে গম চাষে ব্যাপক সাফল্যের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো বীজ বপন এবং পর্যাপ্ত সেচ ব্যবস্থার কারণে মাঠজুড়ে গমের গাছ এখন সবুজ ও স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠেছে। এতে গম চাষীদের মধ্যে বাম্পার ফলনের আশা তৈরি হয়েছে। কৃষি অফিসের তথ্য মতে জানা যায় এ বছর এই উপজেলায় ৪৮২০ হেক্টর জমিতে গমের চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এখানে বারি ৩০-৩২-৩৩ এবং বি ডব্লিউ এম আর ১-২ জাতের গম চাষ হয়েছেএবং ফলনের আশা করা হচ্ছে ৪.২ মেট্রিক টন হেক্টর প্রতি যা খরচ হয়েছে বিঘা প্রতি৬৫০০ থেকে ৭০০০ হাজার । উপজেলার চাওড় ইউনিয়নের দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর গ্রামের মোঃ ইসমাইল হোসেন ১০০ বিঘা ও রনি আহমেদ ৭ বিঘা গমের চাষ করেছেন বলে তারা জানান।
আজ ১৬ই ফেব্রুয়ারি সোমবার এলাকার বিভিন্ন স্থানীয় কৃষকরা জানান, এ বছর রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় গমের শীষ ভালোভাবে দানা ধরেছে। অনেক কৃষক গত বছরের তুলনায় বেশি জমিতে গম চাষ করেছেন, যা ফলনের পরিমাণ বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পোরশা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উন্নত জাতের গমের বীজ ব্যবহার এবং কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ মাঠ পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও সার্বিক সহযোগিতার ফলে উৎপাদন খরচ কমে এসেছে এবং ফলন বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেড়েছে।
চাষীরা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং শেষ মুহূর্তে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর গমের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। এতে একদিকে যেমন কৃষকের আর্থিক সচ্ছলতা বাড়বে, অন্যদিকে দেশের খাদ্য উৎপাদনেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন